মোবাইলের ওয়ালপেপারেই লুকিয়ে ভাগ্যের চাবিকাঠি, কী বলছে ডিজিটাল বাস্তুর নিয়ম?

আজকের দিনে মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ শুধু গ্যাজেট নয়, বরং আমাদের সারা দিনের যাবতীয় কাজের কেন্দ্রবিন্দু। বহু মানুষের রুটি-রুজি নির্ভর করে এই মোবাইল ও ল্যাপটপের উপর। সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত, সকলেই থাকে স্ক্রিন দিয়ে পরিবেষ্টিত। বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, আমরা যা দেখি তা আমাদের অবচেতন মনে গেঁথে যায়। তাই মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে থাকা ছবি উল্টোপাল্টা হলে মানসিক শান্তি ও জীবনে অগ্রগতির পক্ষে বাধাদায়ক হতে পারে।

Advertisement
মোবাইলের ওয়ালপেপারেই লুকিয়ে ভাগ্যের চাবিকাঠি, কী বলছে ডিজিটাল বাস্তুর নিয়ম?মোবাইলের ওয়ালপেপারেই লুকিয়ে ভাগ্যের চাবিকাঠি
হাইলাইটস
  • মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ শুধু গ্যাজেট নয়, বরং আমাদের সারা দিনের যাবতীয় কাজের কেন্দ্রবিন্দু।
  • হু মানুষের রুটি-রুজি নির্ভর করে এই মোবাইল ও ল্যাপটপের উপর।
  • ওয়ালপেপার উল্টোপাল্টা হলে মানসিক শান্তি নষ্ট হতে পারে।

আজকের দিনে মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ শুধু গ্যাজেট নয়, বরং আমাদের সারা দিনের যাবতীয় কাজের কেন্দ্রবিন্দু। বহু মানুষের রুটি-রুজি নির্ভর করে এই মোবাইল ও ল্যাপটপের উপর। সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত, সকলেই থাকে স্ক্রিন দিয়ে পরিবেষ্টিত। বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, আমরা যা দেখি তা আমাদের অবচেতন মনে গেঁথে যায়। তাই মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে থাকা ছবি উল্টোপাল্টা হলে মানসিক শান্তি ও জীবনে অগ্রগতির পক্ষে বাধাদায়ক হতে পারে। ডিজিটাল বাস্তু কীভাবে জীবনে পজিটিভ ভাইব আনতে পারে, দেখে নেওয়া যাক।

মোবাইল ওয়ালপেপার: মোবাইল ওয়ালপেপার এমন একটি জিনিস যা আমরা দিনে শত শত বার দেখি। বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, আপনার প্রয়োজন ও চাহিদা অনুযায়ী ওয়ালপেপার রাখুন।

কর্মজীবনে সাফল্য: সূর্যোদয় ও সাতটি ছুটে চলা সাদা ঘোড়া বা উঁচু পর্বতের ছবি রাখুন। এটি অগ্রগতি এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। 

শান্তি ও একাগ্রতার জন্য: স্বচ্ছ বহমান জল, একটি পদ্মফুল বা সবুজ অরণ্যের ছবি রাখতে পারেন। সবুজ চোখের জন্য আরামদায়ক একটি রঙ এবং এটি মানসিক চাপ কমায়।

আর্থিক লাভের জন্য: ধন-সম্পদের দেবী লক্ষ্মীর একটি স্নিগ্ধ ছবি, কুবের যন্ত্র অথবা উজ্জ্বল মুদ্রা রাখা যেতে পারে। 

কোন ছবি রাখবেন না?

কখনোই হিংস্র পশুর ছবি, জনমানবহীন দালান, খালি বাড়ি, বিষণ্ণ মুখ বা যুদ্ধের ছবি রাখবেন না। এগুলো নেগেটিভ ভাবনা ও বিরক্তি বাড়ায়। 

 ল্যাপটপের স্ক্রিন এবং ওয়ালপেপার:

বহু মানুষের জীবনে ল্যাপটপই ৮-১২ ঘণ্টার সঙ্গী।  এক্ষেত্রে সাদা বা নীল ওয়ালপেপার ব্যবহার করাই সবচেয়ে ভালো, যা মানসিক স্বচ্ছতা এবং নতুন চিন্তাভাবনাকে উৎসাহিত করে। স্ক্রিনে অনুপ্রেরণামূলক উক্তি রাখাও খুব কার্যকর, কারণ এটি কাজের চাপের মাঝেও আপনাকে আপনার টার্গেটগুলোর কথা মনে করিয়ে দিতে সাহায্য করে। 

ডিজিটাল জঞ্জাল দূর করুন

অনেকেরই ইমেল হাজার হাজার বাজে ইমেলে ভর্তি। অনেকের ডেস্কটপেও প্রচুর অপ্রয়োজনীয় ফাইল থাকে।বাস্তুশাস্ত্রে একেই ডিজিটাল জঞ্জাল বলা হয়, যা মানসিক চাপের একটি প্রধান কারণ। এগুলো ডিলিট করা উচিত। এরফলে কাজে মনোযোগ বাড়ে।

Advertisement

২টি সহজ ডিজিটাল বাস্তু প্রতিকার:

রাতে ডিজিটাল ডিটক্স: ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন। মাথার কাছে মোবাইল ফোন রেখে ঘুমানোর অভ্যাস থাকলে বাদ দিন। রাহু ও কেতুর প্রভাব এবং বিকিরণের কারণে এটি অশুভ।

সাউন্ড ও নোটিফিকেশন: ফোনের রিংটোন এবং নোটিফিকেশন টোন মৃদু রাখুন। কর্কশ ও ভীতিকর শব্দ আপনার স্নায়ুতন্ত্রকে আকস্মিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে।


 

POST A COMMENT
Advertisement