কবে-কখন চন্দ্রগ্রহণ?জ্যোতির্বিজ্ঞানপ্রেমীদের জন্য একটি বিশেষ মুহূর্ত আসছে। মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ভারত সাক্ষী থাকবে আংশিক চন্দ্রগ্রহণের। ওই দিনই দোল পূর্ণিমা। রঙের উৎসবের দিন এই গ্রহণটি চন্দ্রোদয়ের সঙ্গেই ঘটবে। ফলে সময়টা স্বল্প হলেও ঘটনা নিঃসন্দেহে মহাজাগতিক বিস্ময় হতে চলেছে।
চন্দ্রগ্রহণ কখন দেখা যাবে?
চন্দ্রগ্রহণটি চন্দ্রোদয়ের মুহূর্ত থেকেই শুরু হবে এবং সন্ধ্যায় অল্প সময়ের জন্য দৃশ্যমান হবে।
> চন্দ্রোদয় ও গ্রহণ শুরু: সন্ধ্যা ৬টা ২৬ মিনিট
> গ্রহণ শেষ: সন্ধ্যা ৬টা ৪৬ মিনিট
> স্থানীয়ভাবে দৃশ্যমান হবে: ২০ মিনিট ২৮ সেকেন্ড
যদিও চন্দ্রগ্রহণটি কয়েক ঘণ্টা জুড়ে চলবে, তবে ভারতে চন্দ্রোদয়ের পর শুধুমাত্র শেষ অংশটাই দেখা যাবে।
> উপছায়া স্পর্শ শুরু: দুপুর ২ টো ১৬ মিনিট
> পূর্ণছায়া স্পর্শ শুরু:দুপুর ৩টে ২১ মিনিট
> পূর্ণগ্রহণ শুরু: বিকেল ৪টে ৩৫ মিনিট
> সর্বাধিক গ্রহণ: বিকেল ৫টা ৮ মিনিট
> পূর্ণগ্রহণ শেষ:বিকেল ৫টা ৩৩ মিনিট
> পূর্ণছায়া শেষ: সন্ধ্যা ৬টা ৪৬ মিনিট
> উপছায়া শেষ: সন্ধ্যা ৭টা ৫২ মিনি
চন্দ্রগ্রহণের সময়কাল ও মাত্রা
৩ মার্চের চন্দ্রগ্রহণটি সামগ্রিকভাবে বেশ শক্তিশালী হবে।
> পূর্ণগ্রহণের সময়কাল: ৫৭ মিনিট ২৭ সেকেন্ড
> আংশিক গ্রহণের সময়কাল: ৩ ঘণ্টা ২৫ মিনিট ১৭ সেকেন্ড
> উপছায়া গ্রহণের সময়কাল: ৫ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড
> চন্দ্রগ্রহণের মাত্রা: ১.১৪
> উপছায়ার মাত্রা: ২.১৮
চন্দ্রগ্রহণের সুতক কাল
হিন্দু শাস্ত্রমতে, দৃশ্যমান চন্দ্রগ্রহণের আগে ও চলাকালীন সুতক কাল পালন করা হয়।
সাধারণ সুতক:
শুরু: সকাল ৯:৩৯
শেষ: সন্ধ্যা ৬:৪৬
শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের জন্য:
শুরু: বিকেল ৩:২৮
শেষ: সন্ধ্যা ৬:৪৬
হিন্দু ধর্মে চন্দ্রগ্রহণের গুরুত্ব
হিন্দু ধর্মে শুধুমাত্র সেই চন্দ্রগ্রহণই ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যা পূর্ণছায়া অবস্থায় খালি চোখে দেখা যায়। উপছায়া গ্রহণ সাধারণত দৃশ্যমান না হওয়ায় তা ধর্মীয় পঞ্জিকায় গণ্য হয় না এবং বিশেষ আচার পালনও প্রয়োজন হয় না।
স্বল্প সময়ের জন্য দৃশ্যমান হলেও, ৩ মার্চ ২০২৬-এর এই আংশিক চন্দ্রগ্রহণ দেশবাসীর জন্য এক বিরল মহাজাগতিক অভিজ্ঞতা তৈরি করবে।