হোলি ২০২৬Holi 2026 Rituals: আর ক’দিন পরেই আসছে রঙের উৎসব হোলি। সারা দেশে আনন্দ, আবির, রঙ আর মিলনমেলার আবহে পালিত হয় এই বিশেষ দিন। হোলি শুধু আনন্দের উৎসব নয়, ধর্মীয় বিশ্বাসে এ দিনটি অত্যন্ত শুভ বলেও মনে করা হয়। হোলির আগের দিন পালিত হয় হোলিকা দহন এবং তার পরের দিন রঙের হোলি বা দোল উৎসব।
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, হোলিকা দহনের দিন কিছু বিশেষ নিয়ম মেনে পুজো করলে জীবনের নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। জেনে নিন কী কী করলে মিলতে পারে সুফল।
ইচ্ছাপূরণে করণীয়
যাঁদের বহুদিনের ইচ্ছা পূরণ হচ্ছে না, তাঁরা হোলিকা দহনের পুজোর সময় নারকেল, পান ও সুপারি অগ্নিতে নিবেদন করতে পারেন। বিশ্বাস করা হয়, এতে মনের বাসনা পূরণে ইতিবাচক ফল মেলে।
চাকরি ও কর্মজীবনে সাফল্য
চাকরি বা ব্যবসায় সাফল্য না এলে হোলিকা দহনের দিন পুজোর সময় অগ্নিতে নারকেল নিবেদন করে সাতবার হোলিকার চারদিকে প্রদক্ষিণ করা শুভ বলে মনে করা হয়। এতে কর্মক্ষেত্রে বাধা কাটতে পারে।
আর্থিক উন্নতির জন্য
আর্থিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হোলিকা দহনের পূজায় প্রসাদ হিসেবে বাদাম ও মিষ্টি নিবেদন করার রীতি রয়েছে। এতে ঘরে সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি আসবে বলে বিশ্বাস।
ভয় ও নেতিবাচকতা দূর করতে
অজানা ভয় বা মানসিক অস্থিরতা দূর করতে একটি শুকনো নারকেল, কালো তিল ও সরিষা মাথায় স্পর্শ করিয়ে অগ্নিতে নিবেদন করা হয়। এটি অশুভ শক্তি দূর করার প্রতীকী উপায় হিসেবে ধরা হয়।
ঘরে সুখ-শান্তি আনতে
হোলিকা দহনের ছাই বাড়িতে এনে সরিষার দানা ও আস্ত লবণের সঙ্গে রেখে দিলে ঘরের নেতিবাচকতা দূর হয় বলে প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে। হোলি মানেই মিলন, ক্ষমা আর নতুন শুরুর বার্তা। তাই রঙের এই উৎসব যেন সবার জীবনে সুখ ও শান্তির রং ছড়িয়ে দেয়, এটাই প্রত্যাশা।