ইরানে হরমুজ প্রণালীর কাছেই প্রাচীন বিষ্ণু মন্দির, কারা তৈরি করেছিলেন? জানুন

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে। এমন পরিস্থিতিতে সামনে এসেছে ইরানে থাকা হিন্দুদের কথাও। ইরানে কি হিন্দুরা থাকেন? সেখানে কি কোনও মন্দির রয়েছে?

Advertisement
ইরানে হরমুজ প্রণালীর কাছেই প্রাচীন বিষ্ণু মন্দির, কারা তৈরি করেছিলেন? জানুনইরানে হরমুজ প্রণালীর কাছেই প্রাচীন বিষ্ণু মন্দির
হাইলাইটস
  • ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে।
  • সামনে এসেছে ইরানে থাকা হিন্দুদের কথাও।
  • ইরানের হিন্দু মন্দির সম্পর্কে জানুন...

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে। আমেরিকা, ইজরায়েল বনাম ইরানের এই সংঘাতের এখন প্রভাব মধ্যপ্রাচ্য পেরিয়ে পড়েছে পৃথিবীর অন্য একাধিক দেশেও। সংঘাতের জেরে ইতিমধ্যেই  মৃত্যু হয়েছে ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই-এর। বেশ কিছু মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবরও মেনে নিয়েছে ওয়াশিংটন। এমন পরিস্থিতিতে সামনে এসেছে ইরানে থাকা হিন্দুদের কথাও। ইরানে কি হিন্দুরা থাকেন? সেখানে কি কোনও মন্দির রয়েছে?

আসলে ইরানে হিন্দুদের সংখ্যা খুবই কম। পিউ রিসার্চ সেন্টারের মতে, ২০১০ সালে ইরানে আনুমানিক ২০,০০০ হিন্দু বাস করতেন। যদিও বর্তমানে সংখ্যা এর অর্ধেক হতে পারে। ইরানের হরমুজ প্রণালীর নিকটবর্তী বন্দর আব্বাসে একটি জনপ্রিয় হিন্দু মন্দিরও রয়েছে। জানা যায়, ভগবান বিষ্ণুকে উৎসর্গ করা এই মন্দিরটি প্রায় ১৩০ বছরের পুরোনো। এই মন্দিরটি ১৯৮২ সালে মহম্মদ হাসান খান সাদ আল-মালেক পুনর্নির্মাণ করেন। বলা হয়, এই ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিতে কর্মরত ভারতীয়রা এই মন্দিরটি তৈরি করেছিলেন।

এই বিষ্ণু মন্দিরের বৈশিষ্ট্য:

একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভগবান বিষ্ণুর এই মন্দিরটি খুবই জাঁকজমকপূর্ণ। মন্দিরের ভিতরে একটি বর্গাকার কক্ষ রয়েছে, যার উপরে আছে একটি বড় গম্বুজ। মন্দিরটি প্রচুর পরিমাণে প্রবাল পাথর, চুন-সুরকি, মাটি এবং খড়িমাটি দিয়ে তৈরি করা। মন্দিরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বিগ্রহ রয়েছে।

চাবাহারেও মন্দির রয়েছে

ইরানের চাবাহার বন্দরের কাছে একটি মন্দির রয়েছে। এটির পোশাকি নামও চাবাহার বন্দর। বলা হয়ে থাকে, আনুমানিক ১৯শ-২০শ শতকে গুজরাতের কিছু হিন্দু বণিকরা এই মন্দিরটি তৈরি করেছিলেন। প্রবাল পাথর এবং লুই খড়িমাটি দিয়ে এই মন্দিরটি তৈরি করা হয়েছে।

তেহরানে রয়েছে গুরুদ্বারও

ইরানের রাজধানী তেহরানে ভাই গঙ্গা সিং সভা নামে একটি বিখ্যাত গুরুদ্বারও রয়েছে। এটি ১৯৪১ সালে তৈরি করা হয়েছিল। প্রতি শুক্রবার এখানে লঙ্গর চলে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে এই গুরুদ্বারটি দেখে এসেছিলেন। তবে, ইরানে শিখ জনসংখ্যা খুবই কম।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement