জামাইষষ্ঠীপ্রতিটি বাঙালি হিন্দু পরিবারেই জামাইষষ্ঠী ধুমধাম করে পালন করা হয়। বিবাহিত মেয়েদের মায়েরা খুব আদর যত্ন করে জামাইকে বরণ করেন, ভাল-মন্দ রান্না করে খাওয়ান। মেয়ে-জামাইয়ের মঙ্গলকামনায় ষষ্ঠীব্রত পালন করেন শাশুড়িরা। তবে অবশ্যই মাথায় রাখতে হয় বিশেষ কিছু নিয়ম। যদিও অনেকেরই সঠিক নিয়মগুলি জানা থাকে না। তাঁদের জন্য রইল বিশেষ টোটকা।
> জামাইষষ্ঠীতে জামাইয়ের জন্য মাছ-মাংস, শাক-তরকারির একাধিক পদ রান্না করলেও শাশুড়িদের নিরামিষ আহার করতে হয়। সঠিক নিয়ম মেনে নিরামিষ খেতে না পারলেও মাছ-মাংস এদিন শাশুড়িদের না খাওয়াই ভাল।
> মা ষষ্ঠীর চরণে তেল-হলুদ নিবেদন করতে হয় প্রত্যেক শাশুড়িকে। তারপর দইয়ের সঙ্গে সেই হলুদের মিশ্রণ মিশিয়ে মেয়ে-জামাইয়ের কপালে ফোঁটা দিতে হবে। সাদা সুতো হলুদের মিশ্রণে শুকিয়ে নিয়ে মে-জামাইয়ের হাতে বেঁধে দিতে হবে।
> জামাইষষ্ঠীর দিনের মেনুতে পায়েস মাস্ট। জামাইকে দিতে হবে বিজোড় সংখ্যার মিষ্টি। জোড় সংখ্যার মিষ্টি না দেওয়াই ভাল।
> জামাইষষ্ঠীতে হাতে রাখতে হবে তালপাতার পাখা। বাজার থেকে নতুন তালপাখা কিনে আনতে হবে। সেটি জলে ভিজিয়ে হাওয়া করতে হবে জামাইকে। অন্য কোনও পাখা ব্যবহার করলে হবে না।
> জামাইষষ্ঠীর দিন কোনওমতেই জামাই যেন একলা শ্বশুরবাড়িতে না আসে। মেয়ে-জামাইকে একসঙ্গেই আসতে হবে।
> মা ষষ্ঠীর ব্রতয় বিজোড় সংখ্যার ফল রাখতে হবে। জোড় সংখ্যার ফল দিলে হবে না।
> এরই সঙ্গে চলে উপহার আদান-প্রদানের পালা। শাশুড়ি যেমন মেয়ে-জামাইকে উপহার দেন, তেমনই মেয়ে-জামাইকেও শ্বশুর-শাশুড়ির জন্য উপহার নিয়ে যেতে হয়। কালো বা গাঢ় রঙের পোশাক উপহার হিসাবে দেওয়া যাবে না। এতে সম্পর্কের উপর কুপ্রভাব পড়তে পারে। গলার চেন বা আংটিও দেওয়া যেতে পারে।