কালীপুজো ২০২৬ কবে? নবমী নিশি মানেই উমা বিদায়ের পালা। বিজয়া দশমীর দিন মায়ের বিসর্জনের পরই শুরু হয়ে যায় কালীপুজোর কাউন্টডাউন। এ বছর কালীপুজো আর ভাইফোঁটা কবে পড়েছে?
গোটা দেশে দীপাবলির উত্সব চলে ৫ দিন ধরে। প্রথম দিন কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে পালিত হয় ধনতেরাস। সোনা-রুপোর গয়না, বাসন, ঝাড়ু- এই সব কেনা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয় ওইদিন। পরের দিন পালিত হয় ভূত চতুর্দশী। এ দিন ১৪ শাক খাওয়া ও ১৪ প্রদীপ জ্বালানোর রীতি প্রচলিত আছে। তৃতীয় দিনে কার্তিক অমাবস্যার পূণ্য তিথিতে বাঙালিরা মেতে ওঠেন মা কালীর আরাধনায়। অনেকে এ দিন দ্বীপান্বিতা লক্ষ্মী পুজো করেন। অবাঙালিরা লক্ষ্মী ও গণেশের পুজো করে থাকেন। পরের দিন গোবর্ধন পুজো। মনে করে হয় এই দিনে গিরি গোবর্ধন আঙুলের ডগায় তুলেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। আর ভাইফোঁটা বা ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার মাধ্যমে অবসান হয় দীপাবলির উত্সবের।
ধনতেরাস: এই বছর ধনতেরস পালিত হবে ৬ নভেম্বর, শুক্রবার। বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২০ কার্তিক। গয়না কেনাকাটার জন্য শুভ সময় থাকছে বিকেল ৫টা ২৮ মিনিট থেকে সন্ধে ৭টা ২৬ মিনিট পর্যন্ত।
ভূত চতুর্দশী: পরের দিন ৭ নভেম্বর, শনিবার পালিত হবে ভূত চতুর্দশী বা নরক চতুর্দশী। বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২১ কার্তিক। এ দিন ১৪ শাক খাওয়া ও সন্ধ্যাবেলা ১৪ প্রদীপ জ্বালানোর রীতি আছে।
কালীপুজো ও দীপাবলি: কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে এই উৎসব পালিত হয়। ৮ নভেম্বর , রবিবার সকাল ১১টা ২৭ মিনিটে অমাবস্যা পড়ছে। বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তারিখটা হলো ২২ কার্তিক। এই দিনে সারা দেশে প্রদীপ ও আলো জ্বালিয়ে অন্ধকার দূর করা হয়।
পশ্চিমবঙ্গে প্রধানত মা কালীর আরাধনা করা হয়, যা শ্যামা পুজো নামেও পরিচিত। দেশের অন্যান্য স্থানে এই দিনে লক্ষ্মী-গণেশের পূজা করা হয়। অনেক বাঙালি বাড়িতেও কার্তিক অমাবস্যা তিথিতে দীপান্বিতা লক্ষ্মীপুজো করা হয়ে থাকে।
ভাইফোঁটা: ভাইফোঁটা বা ভ্রাতৃদ্বিতীয়া পালিত হবে ১০ নভেম্বর, বুধবার। ভাইফোঁটা বা ভ্রাতৃদ্বিতীয়া পালিত হবে ১০ নভেম্বর।