Name Astrology: এই ৪ আদ্যক্ষরের নাম হলেই বিয়ের পরে খোলে কপাল, ধনসম্পদ-অর্থ প্রাপ্তি হয়Name Astrology: জ্যোতিষ শাস্ত্র এবং নাম তত্ত্বের দুনিয়ায় নামের প্রথম অক্ষরের একটি বিশেষ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। মনে করা হয় যে নামের এই প্রথম অক্ষরের ওপর ভিত্তি করেই একজন মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, স্বভাব, মানসিকতা ও তার ভবিষ্যৎ জীবন সম্পর্কে একটা নিখুঁত ধারণা পাওয়া সম্ভব। কিছু বিশেষ অক্ষর দিয়ে যাদের নাম শুরু হয়, বিয়ের পিঁড়িতে বসার পর তাদের ভাগ্য আচমকাই উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।
এই ধরনের জাতক জাতিকারা বিয়ের পর জীবনসঙ্গীর পাশাপাশি শ্বশুরবাড়ির থেকেও প্রচুর টাকা পয়সা, নানা রকম বৈষয়িক সাহায্য এবং এমনকি পৈতৃক সম্পত্তিও লাভ করতে পারেন। জ্যোতিষীদের মতে এমন ৪টি বিশেষ অক্ষর রয়েছে, যাদের জাতকরা বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর হু হু করে নিজেদের আর্থিক উন্নতি করতে পারেন এবং তাদের ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স এক ধাক্কায় অনেকখানি বেড়ে যায়।
নাম জ্যোতিষ বা নেম অ্যাস্ট্রোলজির গণনা অনুযায়ী যাদের নাম ইংরেজি ‘R’ বা বাংলা ‘র’ অক্ষর দিয়ে শুরু হয়, তাদের মধ্যে এক অসাধারণ নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা বা লিডারশিপ কোয়ালিটি থাকে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস সবসময় তুঙ্গে থাকে। বিয়ের সানাই বাজার পরেই এদের উপার্জনের একাধিক নতুন উৎস খুলে যায় এবং শ্বশুরবাড়ির দিক থেকে মোটা অঙ্কের সম্পত্তি পাওয়ার এক জোরালো যোগ তৈরি হয়, যা তাদের আর্থিক ভিত্তিকে অনেক বেশি মজবুত করে তোলে।
একইভাবে যাদের নামের শুরুতে ‘A’ বা ‘অ’ অক্ষর রয়েছে, তারা স্বভাবগতভাবে ভীষণ পরিশ্রমী এবং জীবনে বড় হওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষা রাখেন। বিয়ের পর এরা জীবনসঙ্গী এবং শ্বশুরপক্ষের লোকেদের থেকে এতটাই মানসিক ও আর্থিক সাপোর্ট পান যে এদের কেরিয়ারের গ্রাফ তরতরিয়ে ওপরের দিকে উঠতে শুরু করে।
অন্যদিতে অত্যন্ত সহজ সরল স্বভাবের মানুষ হন তারা, যাদের নাম ‘M’ বা ‘ম’ অক্ষর দিয়ে শুরু হয়। এই জাতকদের জীবনসঙ্গীও খুব ভালো মনের মানুষ হন এবং শুভ পরিণয় সম্পন্ন হওয়ার পর এদের জীবনযাত্রায় আরাম আয়েশ ও বিলাসিতা বহু গুণ বেড়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে এরা শ্বশুরবাড়ি থেকে আকস্মিক আর্থিক সাহায্য বা সম্পত্তি সংক্রান্ত বড়সড় লাভ পেয়ে থাকেন, যার ফলে এদের জীবনে বিয়ে এক পরম আশীর্বাদ বা ভাগ্য বদলানোর মাধ্যম হিসেবে প্রমাণিত হয়।
অন্যদিকে ‘S’ বা ‘স’ অক্ষর দিয়ে নাম শুরু হওয়া জাতকরা অত্যন্ত বুদ্ধিমান হন এবং যেকোনো কাজ অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে করতে ভালোবাসেন। এরা জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রেও খুব চিন্তাভাবনা করে পা বাড়ান এবং বিয়ের পর এদের জীবনে এক অদ্ভুত মানসিক স্থিরতা ও সমৃদ্ধি আসে। এদের জীবনসঙ্গী অনেক সময় চাকরিজীবী বা স্বাবলম্বী হন এবং ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এরা শ্বশুরবাড়ির লোকেদের থেকে প্রভূত সহযোগিতা পান, যার ফলে এদের সঞ্চয় ক্রমাগত বাড়তেই থাকে।