Naihati Boro Maa: কবে থেকে বন্ধ থাকছে বড়মার মন্দির? পুজো দেওয়ার প্ল্যান থাকলে আগে থেকে জানুন

প্রতি বছর কালীপুজোয় বড়মার মন্দিরে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয়। সেই ভিড় সামলে সুষ্ঠু ভাবে পুজো দেওয়াই এখন মন্দির কর্তৃপক্ষের প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ করে দণ্ডী কাটার সময়ে কোনও ভক্ত অসুস্থ হয়ে পড়লে যাতে দ্রুত চিকিৎসা মেলে, তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Advertisement
কবে থেকে বন্ধ থাকছে বড়মার মন্দির? পুজো দেওয়ার প্ল্যান থাকলে আগে থেকে জানুননৈহাটির বড়মার মন্দির
হাইলাইটস
  • ১০৩ বছরের ঐতিহ্যবাহী নৈহাটি বড়মার দর্শনে অগুণিত মানুষ ভিড় জমান।

১০৩ বছরের ঐতিহ্যবাহী নৈহাটি বড়মার দর্শনে অগুণিত মানুষ ভিড় জমান। সাধারণ দর্শনার্থী থেকে শুরু করে তারকারা এই বড়মার মন্দিরে পুজো দিতে আসেন। সামনেই কালীপুজো আর বড়মার মন্দিরের কালীপুজো বেশ বিখ্যাত। আর এই পুজো ঘিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে। তবে কালীপুজোর আগেই বড়মার মন্দির হচ্ছে বন্ধ। তাহলে কি কালীপুজোর সময় বড়মার মন্দিরে পুজো দিতে পারবেন না? এই নিয়ে বড়মার মন্দিরের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।  

বড়মার মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে যে বার্ষিক পুজো উপলক্ষ্যে আগামী ৬ নভেম্বর, শুক্রবার থেকে ১৪ নভেম্বর, শনিবার পর্যন্ত বড়মার মন্দির সর্বসাধারণের জন্য সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। অর্থাৎ এই সময়কালে কোনও পুজো দেওয়া যাবে না মন্দিরে। এই সময় কালীপুজো রয়েছে আর কালীপুজোর সময়ও মন্দির বন্ধ রাখা হয়। বড়মার মন্দিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ১৫ নভেম্বর, রবিবার থেকে মন্দির আবার পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী খুলবে এবং পুজো দেওয়া যাবে। 

ছবি সৌজন্যে: ফেসবুক

১৫ নভেম্বর কটা থেকে পুজো দেওয়া ও দর্শন করা যাবে? জানা গিয়েছে, এদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২.৩০ মিনিট পর্যন্ত এবং বিকেল ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাতৃ দর্শন ও পুজো দেওয়া যাবে। এছাড়াও বার্ষিক পুজো উপলক্ষ্যে ৩১ অক্টোবর থেকে ১৬ নভেম্ব পর্যন্ত মন্দিরে বসে প্রসাদ গ্রহণও বন্ধ থাকবে। পুনরায় মন্দিরে বসে প্রসাদ গ্রহণ শুরু হবে ১৮ নভেম্বর বুধবার থেকে পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী। ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর রাজস্থানের উদয়পুর থেকে আনা কষ্টিপাথরের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয় নৈহাটির অরবিন্দ রোডের বড়মার মন্দিরে। তার পর থেকে প্রতি বছর এই দিনে পালিত হয়ে আসছে নৈহাটির বড়মার মন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবস। মহাসমারোহে পালিত হলো মন্দিরের তৃতীয় প্রতিষ্ঠা দিবস। এ দিন সকাল থেকেই মন্দির চত্বর গমগম করছিল মন্ত্রোচ্চারণ, গীতাপাঠ আর চণ্ডীপাঠের সুরে। সঙ্গে সারাদিন ধরে চলেছে হোম-যজ্ঞ। এমনকী ভক্তদের জন্য নিখরচায় বসে ভোগ খাওয়ানোর ব্যবস্থাও ছিল। 

Advertisement

প্রতি বছর কালীপুজোয় বড়মার মন্দিরে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয়। সেই ভিড় সামলে সুষ্ঠু ভাবে পুজো দেওয়াই এখন মন্দির কর্তৃপক্ষের প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ করে দণ্ডী কাটার সময়ে কোনও ভক্ত অসুস্থ হয়ে পড়লে যাতে দ্রুত চিকিৎসা মেলে, তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মন্দির কমিটির তরফে প্রশাসনকে পর্যাপ্ত মহিলা পুলিশ কর্মী, স্বেচ্ছাসেবক এবং এনসিসি ক্যাডেট মোতায়েন করার আবেদন জানানো হয়েছে ইতিমধ্যেই। একদিকে প্রতিষ্ঠা দিবস পালন, আর অন্যদিকে আসন্ন কালীপুজোয় ভক্তদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এখন কোমর বেঁধে প্রস্তুতি নিচ্ছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ।


 

POST A COMMENT
Advertisement