How To Make Saffron Rice Pudding: বাসন্তী নবমীতে দেবীর ভোগে দিন কেশর ক্ষীর’, দেবীর কৃপা থাকবে

How To Make Saffron Rice Pudding: শাস্ত্র মতে, নবমীর দিন কুমারী পুজো শেষে এই ক্ষীর শিশুদের পরিবেশন করলে পরিবারে সুখ-শান্তি বজায় থাকে। চৈত্র সেলের ব্যস্ততা আর গরমের ক্লান্তি ভুলে নবমীর সকালে এই ক্ষীরের স্বাদ যেন এক টুকরো স্বর্গীয় অনুভূতি।

Advertisement
বাসন্তী নবমীতে দেবীর ভোগে দিন কেশর ক্ষীর’, দেবীর কৃপা থাকবেkesariya kheer recipe

How To Make Saffron Rice Pudding: চৈত্র নবরাত্রির পুণ্যলগ্নে নবমী তিথি মানেই ঘরে ঘরে মা দুর্গার আরাধনা আর কন্যাকুমারী পুজোর ধুম। উত্তর থেকে দক্ষিণ, বাংলার প্রতিটি কোণে এখন উৎসবের মেজাজ। আর এই শুভ দিনে দেবীর ভোগে অন্যতম সেরা নিবেদন হলো ‘কেসরিয়া ক্ষীর’। জাফরানের ম ম গন্ধ আর ঘন দুধের সরের এই রাজকীয় পদটি ছাড়া নবমীর থালা যেন অপূর্ণ থেকে যায়। ২০২৬-এর এই তপ্ত চৈত্র দুপুরে যখন ভক্তরা মায়ের আশীর্বাদ পেতে ভিড় করছেন মণ্ডপে মণ্ডপে, তখন বাড়ির খুদে ‘কন্যা’দের আপ্যায়নে এই অমৃতসম ক্ষীরের রেসিপিটি এখন গৃহিণীদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে।

কেসরিয়া ক্ষীর তৈরির মূল কারিকুরি হলো ধৈর্য আর উপাদানের সঠিক পরিমাপ। এই পদটি বানাতে লাগবে ফুল ক্রিম দুধ, গোবিন্দভোগ চাল (বা বাসমতী টুকরো), চিনি, এলাচ গুঁড়ো এবং প্রচুর পরিমাণে জাফরান বা কেশর। প্রথমে দুধ ফুটিয়ে অর্ধেক করে নিতে হবে। এরপর ধুয়ে রাখা চাল দিয়ে কম আঁচে নাড়তে থাকতে হবে যতক্ষণ না চাল সেদ্ধ হয়ে দুধের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। কেশর গরম দুধে ভিজিয়ে রেখে রান্নার শেষে মিশিয়ে দিলে যেমন সুন্দর রঙ আসবে, তেমনই গন্ধে ম ম করবে সারা বাড়ি। কাজু, কিসমিস আর পেস্তা কুচি ওপর থেকে ছড়িয়ে দিলেই তৈরি জিভে জল আনা ভোগ।

শাস্ত্র মতে, নবমীর দিন কুমারী পুজো শেষে এই ক্ষীর শিশুদের পরিবেশন করলে পরিবারে সুখ-শান্তি বজায় থাকে। চৈত্র সেলের ব্যস্ততা আর গরমের ক্লান্তি ভুলে নবমীর সকালে এই ক্ষীরের স্বাদ যেন এক টুকরো স্বর্গীয় অনুভূতি। রান্নার শেষে সামান্য গোলাপ জল ছিটিয়ে দিলে এর জৌলুস বাড়ে বহুগুণ। যারা এই গরমে খুব বেশি তেল-মশলা এড়িয়ে হালকা অথচ তৃপ্তিদায়ক ভোগ বানাতে চান, তাদের জন্য এই কেসরিয়া ক্ষীর হতে পারে সেরা বিকল্প। ভক্তির সঙ্গে এই রাজকীয় স্বাদের মেলবন্ধনে ২০২৬-এর বাসন্তী পুজো এবার হয়ে উঠুক আরও বেশি মধুময়।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement