Pitru Paksha 2026 Date and Time: পিতৃপক্ষ শুরু হচ্ছে, শ্রাদ্ধ ও তর্পণের পুণ্য তিথি কবে? সব তারিখ ও রীতি বিস্তারিত

পঞ্জিকা মতে, ২০২৬ সালের পিতৃপক্ষ শুরু হবে ২৬ সেপ্টেম্বর। শনিবার পূর্ণিমা তিথিতে।  আগামী ১০ অক্টোবর, শনিবার পালিত হবে সর্বপিতৃ অমাবস্যা বা মহালয়া। এটিই পিতৃপক্ষের শেষ লগ্ন। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, এ বছরের পিতৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ তিথিগুলি।

Advertisement
পিতৃপক্ষ শুরু হচ্ছে, শ্রাদ্ধ ও তর্পণের পুণ্য তিথি কবে? সব তারিখ ও রীতি বিস্তারিতবাবুঘাটে পিতৃতর্পণ - পিটিআই ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • সর্বপিতৃ অমাবস্যায় শ্রাদ্ধ ও তর্পণ করার বিধান
  • এ বছর পিতৃপক্ষ কবে শুরু হচ্ছে?
  • পিতৃপক্ষে তর্পণ করা কেন উচিত? কী বলছে হিন্দু পুরান?

আসছে পিতৃপক্ষ। দেবীপক্ষের সূচনার আগে একমাস ধরে চলে পিতৃপক্ষ। ২০২৬ সালে ১০ অক্টোবর পড়েছে মহালয়া তিথি। ওই দিনই পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের শুরু হবে। হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস হল, পিতৃপক্ষ চলাকালীন শ্রাদ্ধ ও তর্পণে পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি হয়। তাঁদের আশীর্বাদ মেলে। যাঁদের পূর্বপুরুষের শ্রাদ্ধের নির্দিষ্ট তিথি জানা নেই, তাঁদের জন্য সর্বপিতৃ অমাবস্যায় শ্রাদ্ধ ও তর্পণ করার বিধান রয়েছে।

এ বছর পিতৃপক্ষ কবে শুরু হচ্ছে?

পঞ্জিকা মতে, ২০২৬ সালের পিতৃপক্ষ শুরু হবে ২৬ সেপ্টেম্বর। শনিবার পূর্ণিমা তিথিতে।  আগামী ১০ অক্টোবর, শনিবার পালিত হবে সর্বপিতৃ অমাবস্যা বা মহালয়া। এটিই পিতৃপক্ষের শেষ লগ্ন। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, এ বছরের পিতৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ তিথিগুলি।

পূর্ণিমা তিথির: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার

প্রতিপদ তিথি: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রবিবার

দ্বিতীয়া তিথি: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার

তৃতীয়া তিথি:  ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার

চতুর্থী ও পঞ্চমী তিথির শ্রাদ্ধ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার

ষষ্ঠী তিথির শ্রাদ্ধ:  ১ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার

সপ্তমী তিথির শ্রাদ্ধ: ২ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার

অষ্টমী তিথির শ্রাদ্ধ:  ৩ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার

নবমী তিথির শ্রাদ্ধ: ৪ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার

দশমী তিথির শ্রাদ্ধ: ৫ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার

একাদশী তিথির শ্রাদ্ধ: ৬ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার

দ্বাদশী তিথির শ্রাদ্ধ: ৭ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার

মঘা তিথির শ্রাদ্ধ: ৭ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার

ত্রয়োদশী তিথির শ্রাদ্ধ: ৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার

চতুর্দশী তিথির শ্রাদ্ধ: ৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার

সর্বপিতৃ অমাবস্যা বা মহালয়া:  ১০ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার

পিতৃপক্ষে তর্পণ করা কেন উচিত? কী বলছে হিন্দু পুরান?

পিতৃপক্ষের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মহাভারতে কর্ণের কাহিনি। কর্ণ ছিলেন দাতা। সোনা, ধন, রত্ন তিনি দান করতেন। এহেন কর্ণ যখন স্বর্গে গেলেন, দেবরাজ ইন্দ্র তাঁকে বিপুল পরিমাণ সোনা, রুপো, রত্ন দিলেন। খাদ্যদ্রব্যের বদলে ধনসম্পদ পেয়ে কর্ণ অবাক হয়ে দেবরাজকে জিগ্গেস করেছিলেন, খাদ্যদ্রব্যের বদলে তিনি এই সব ধনসম্পদ নিয়ে কী করবেন। তখন দেবরাজ ইন্দ্র তাঁকে বললেন, তুমি সারাজীবন এই সবই তো দান করেছো। পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে কখনও খাদ্য, জল অর্পণ করোনি। কর্ণ তখন ইন্দ্রকে বলেন, তিনি তো তাঁর জন্মবৃত্তান্ত জানেন না। তাই করতে পারেননি। ইন্দ্র বুঝতে পারেন, এটা কর্ণের অনিচ্ছাকৃত ভুল। না জানার ভুল। তাই কর্ণকে ১৫ দিনের জন্য ফের মর্তে পাঠানো হয়, পিতৃপুরুষকে খাদ্য, জল অর্পণ তথা শ্রাদ্ধের জন্য। সেই থেকেই পিতৃপক্ষের শুরু বলে মনে করা হয়। হিন্দু ধর্ম মতে, এই তিথিতে পিতৃপুরুষরা নেমে আসেন। কোনও ব্যক্তি পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ করলে, তাঁদের আশীর্বাদ প্রাপ্তি হয়। জীবনে সব শুভ হয়।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement