মহাভারতের 'যুধিষ্ঠির'এর সঙ্গে দেখা করলেন প্রেমানন্দ মহারাজ, কী কী কথা হল?

মহাভারত সিরিয়ালে ধর্মরাজ যুধিষ্ঠিরের চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেতা গজেন্দ্র চৌহান এবার দেখা করলেন জনপ্রিয় প্রেমানন্দ মহারাজের সঙ্গে। গভীর আবেগ এবং আধ্যাত্মিক মনে হয়েছে  গজেন্দ্র চৌহানকে দেখে।

Advertisement
মহাভারতের 'যুধিষ্ঠির'এর সঙ্গে দেখা করলেন প্রেমানন্দ মহারাজ, কী কী কথা হল?মহাভারতের 'যুধিষ্ঠির'এর সঙ্গে দেখা করলেন প্রেমানন্দ মহারাজ
হাইলাইটস
  • গজেন্দ্র চৌহান এবার দেখা করলেন জনপ্রিয় প্রেমানন্দ মহারাজের সঙ্গে।
  • গভীর আবেগ এবং আধ্যাত্মিক মনে হয়েছে গজেন্দ্র চৌহানকে দেখে।
  • প্রেমানন্দ মহারাজের অনুমতি নিয়ে গজেন্দ্র চৌহান মহাভারতের একটি সংলাপ আবৃত্তি করেন।

মহাভারত সিরিয়ালে ধর্মরাজ যুধিষ্ঠিরের চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেতা গজেন্দ্র চৌহান এবার দেখা করলেন জনপ্রিয় প্রেমানন্দ মহারাজের সঙ্গে। এই সাক্ষাতে গজেন্দ্র চৌহানকে দেখে মনে হয়েছে, তিনি গভীর আবেগ এবং আধ্যাত্মিকতায় ডুবে আছেন। প্রেমানন্দজীর সঙ্গে এই সাক্ষাতের মুহূর্তে মহাভারত, ধর্ম এবং জীবনের মূল্যবোধ নিয়ে আলোচনা হয়েছে দু'জনের। 

প্রেমানন্দ মহারাজ অভিনেতা গজেন্দ্র চৌহানকে বলেছেন, যুধিষ্ঠির আমাদের সকলের জন্য অনুপ্রেরণা। তিনি ধর্মের একটি অংশ থেকে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাই, তাঁর চরিত্রে অভিনয় করা একটা বড় দায়িত্ব। 

এরপর, প্রেমানন্দ মহারাজের অনুমতি নিয়ে গজেন্দ্র চৌহান মহাভারতের একটি সংলাপ আবৃত্তি করেন। মহাভারতে যে সময় পাণ্ডবরা বনবাসে যাচ্ছিলেন এবং পাঞ্চালি অর্থাৎ দ্রৌপদী তাঁদের যেতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন, সেই সময়ের অভিনয় করেন গজেন্দ্র। যুধিষ্ঠির ব্যাখ্যা দিয়ে দ্রৌপদীকে বলে, "যা কিছু ঘটতে চলেছে তা আমাদের কর্মের ফল।"

রাম ও সোনার হরিণের উদাহরণ

যুধিষ্ঠির বলেন, "ভগবান রাম জানতেন যে সোনার হরিণটি আসল নয়। তবুও, তিনি সীতার ইচ্ছাকে সম্মান করে তার ইচ্ছা অনুসরণ করেছিলেন। এটি লোভের বশবর্তী হয়ে নয়, বরং কর্তব্য এবং ভদ্রতার প্রতি আনুগত্যের কারণে।" যুধিষ্ঠিরের আর একটি আবৃত্তিতে তিনি বলেন, "যা ঘটবে তা কেউ থামাতে পারে না, ভীমের গদা বা অর্জুনের তীরও না। আমাদের অবশ্যই বনবাসে যেতে হবে, কারণ আমাদের পিতাকে অপেক্ষায় রাখা ভদ্রতার লঙ্ঘন।"

গজেন্দ্র চৌহান আরেকটি সংলাপ আবৃত্তি করেন। তিনি বলেন "অটল বিহারী বাজপেয়ীজি মহাভারতের এই সংলাপটি খুব পছন্দ করতেন। যখনই তিনি তাঁর সঙ্গে দেখা করতেন, তখনই এই সংলাপটি শুনতে চাইতেন। সেই সংলাপটি ছিল "কোনও ব্যক্তি, পরিবার, ঐতিহ্য বা প্রতিশ্রুতি জাতির ঊর্ধ্বে হতে পারে না।"

ভীষ্মের প্রতিজ্ঞা থেকে শিক্ষা

শেষে গজেন্দ্র চৌহান ভীষ্ম পিতামহের উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, ভীষ্ম একটি কঠিন প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। কিন্তু যখন ধর্ম এবং শ্রীকৃষ্ণের কথা আসে, তখন প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করাও ধর্ম হয়ে যায়।

Advertisement


 

POST A COMMENT
Advertisement