Tarapith Maa Tara: তারাপীঠে কি আর মাকে স্পর্শ করা যাবে না? জানুন সম্ভাব্য নয়া নিয়ম

এবার থেকে তারাপীঠের গর্ভগৃহে আর প্রবেশ করা যাবে না? দূর থেকেই দর্শন করতে হবে মা তারাকে? নয়া কমিটি তৈরি হয়েছে তারাপীঠে। কী কী নিয়মে বদল এল?

Advertisement
তারাপীঠে কি আর মাকে স্পর্শ করা যাবে না? জানুন সম্ভাব্য নয়া নিয়মকালীপুজোয় তারাপীঠে মায়ের ভোগ থাকে কী কী
হাইলাইটস
  • তারাপীঠের গর্ভগৃহে আর প্রবেশ করা যাবে না?
  • নয়া কমিটি তৈরি হয়েছে তারাপীঠে
  • কী কী নিয়মে বদল এল?

সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গেই তারাপীঠে মা তারার মন্দিরেও বদলে গেল কমিটি। আর তারই সঙ্গে বদল হল বেশ কিছু নিয়মেও। এবার থেকে কি আর বিগ্রহ ছোঁয়া যাবে না? গর্ভগৃহের বাইরে থেকেই দর্শন মিলবে মা তারার?  

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বীরভূমের তারাপীঠ মন্দিরের পরিচালন কমিটি বদল হল। সেই কমিটির বৈঠকেই একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, এবার থেকে মা তারাকে আর কেউ স্পর্শ করতে পারবেন না। দূর থেকেই দর্শন করতে হবে মা-কে। এ প্রসঙ্গে তারাপীঠের পুরোহিত সজল কুমার ভট্টাচার্য, মিলন পাণ্ডা বলেন, 'ভক্তদের মধ্যে কেউ কেউ গর্ভগৃহে প্রবেশ করে বিগ্রহে তেল মাখানো, শৃঙ্গার করা শুরু করেন। এতে ভিড় হয়ে যায়। অন্যদের দর্শনেও সমস্যা হয়। সে কারণে আমরা প্রস্তাব করেছি এবার থেকে গর্ভগৃহে প্রবেশ করলেও যেন মা তারার বিগ্রহ কেউ স্পর্শ না করেন।'

কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, এবার থেকে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে লাইন ও পুণ্যার্থীদের সংখ্যা। যাতে ভক্তরা মা তারাকে ভাল ভাবে দর্শন করতে পারেন, সে জন্য তারাপীঠের গর্ভগৃহ এক ফুট নিচু করা হবে। 

প্রায় ১৫ বছর আগে তৈরি হওয়া কমিটি নির্বাচনের আগে পর্যন্ত একাধিপত্য কায়ম করে রেখেছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। পূর্বের সরকারের আমলে তারাপীঠ মন্দির নিয়ে উঠেছিল একাধিক অভিযোগ। নির্বাচনে পালাবদলের পর তারাপীঠ মন্দিরের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে নতুন কমিটি। তারাপীঠ মন্দিরের সেবায়েতরাই এই কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। 

কমিটির সভাপতি পদে বসেছেন নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সম্পাদক হিসেবে পুলক চট্টোপাধ্যায়কে নির্বাচিত করা হয়েছে। পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে তারাপীঠ মন্দিরের গর্ভগৃহ এক ফুট নিচু করা, বিশেষ লাইনের পুণ্যার্থীদের সংখ্যা বেঁধে দেওয়া এবং ভিআইপি থেকে সাধারণ পুণ্যার্থী, কেউই যাতে গর্ভগৃহে বেশি সময় থাকতে না পারেন, তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নয়া সভাপতি জানিয়েছেন,  সাধারণ পুণ্যার্থীদের জন্য আধঘন্টা এবং বিশেষ বা ভিআইপি লাইনে থাকা জন্য কুড়ি মিনিট লাইন থাকবে।  আগামী দিনে বিশেষ লাইনে দাঁড়ানো ব্যক্তিদের জন্য মন্দিরের ঢোকা এবং বাইরে আসার জন্য একটি নির্দিষ্ট গেট করার পরিকল্পনাও আছে। এ ছাড়াও সাধারণ পুণ্যার্থীরা যাতে মায়ের মুখ দর্শন করতে পারেন তার জন্য গর্ভগৃহের উচ্চতা এক ফুট নিচু করার পরিকল্পনাও করা হয়েছে। মা তারার প্রতিমা থাকবে উঁচুতেই। এতে যেমন মায়ের মুখ দর্শন করা যাবে পাশাপাশি মাকে স্পর্শ করা থেকেও সকলকে বিরত রাখা যাবে বলে ভাবনাচিন্তা করছে কমিটি। 

Advertisement

কৌশিকী অমাবস্যার পরে তারা মায়ের বিগ্রহকে অন্য কোথাও সরিয়ে নিয়ে গর্ভগৃহের কাজ করার পরিকল্পনা করাও হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 
 

 

POST A COMMENT
Advertisement