রুপোর ময়ুর রাখুনVastu Tips For Money: কথায় বলে, বিশ্বাসে মেলায় বস্তু। আর সেই বিশ্বাসের ওপর ভর করেই বাঙালির অন্দরমহলে চিরকাল ঠাঁই পেয়েছে নানা বাস্তু টোটকা। জ্যোতিষ ও বাস্তুশাস্ত্রে আর্থিক অনটন দূর করতে বা সংসারে শান্তি ফেরাতে ইদানীং রুপোর ময়ূরের কদর বেড়েছে। শাস্ত্রমতে, রুপো অত্যন্ত শুভ ধাতু আর ময়ূর দেবতাদের প্রিয় বাহন। এই দুইয়ের মেলবন্ধনে তৈরি একটি ছোট রুপোর ময়ূর ঘরে রাখলে সৌভাগ্যের দরজা খুলে যেতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
যাঁদের জীবনে আর্থিক টানাটানি লেগেই রয়েছে, সঞ্চয় করতে গিয়েও বারবার বাধা আসছে, তাঁদের জন্য ‘নৃত্যরত’ বা নাচছে এমন ভঙ্গিমার রুপোর ময়ূর অত্যন্ত শুভ। মনে করা হয়, এই মূর্তি ড্রয়িং রুমে বা অফিসের ডেস্কে রাখলে নেতিবাচক শক্তি ঘর ছাড়ে এবং আয়ের নতুন পথ প্রশস্ত হয়। শুধু তাই নয়, এর প্রভাবে অহেতুক ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আসে বলেও দাবি বাস্তুবিদদের।
দাম্পত্য জীবনে কলহ বা মানসিক দূরত্ব তৈরি হলে শোওয়ার ঘরে ‘রুপোর ময়ূর দম্পতি’ অর্থাৎ জোড়া ময়ূর রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি বিবাহিত মহিলারা যদি তাঁদের সিঁদুর কৌটোয় ছোট্ট একটি রুপোর ময়ূর রাখেন, তবে তা স্বামীর দীর্ঘায়ু ও সম্পর্কের মাধুর্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। বাড়ির মন্দিরে বা উপাসনালয়ে শান্ত ভঙ্গিমার ময়ূর রাখলে পুজোর শুভ ফল বহুগুণ বেড়ে যায়।
শাস্ত্রমতে, এই শুভ প্রতীকটি কেনার সেরা সময় হলো পূর্ণিমার তিথি। পূর্ণিমার দিন রুপোর ময়ূর কিনে আলমারি, লকার বা ঠাকুরের সিংহাসনে স্থাপন করলে ভাগ্যের চাকা দ্রুত ঘুরতে শুরু করে। এটি কেবল শোভাবর্ধক কোনো শোপিস নয়, বরং প্রাচীন বিশ্বাস অনুযায়ী এটি এক সমৃদ্ধ জীবনের চাবিকাঠি। তাই আপনিও যদি জীবনের বাধা কাটিয়ে সাফল্যের স্বাদ পেতে চান, তবে আগামী পূর্ণিমাতেই ঘরে আনতে পারেন এই রূপালি চমক।