আর কিছুদিন পরেই শতাব্দীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম সূর্যগ্রহণ২০২৬ সালে ঘটতে চলেছে একটি বড় ঘটনা। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, সূর্যগ্রহণকে বিশেষ বলে মনে করা হয়। হিন্দু ধর্মে সূর্যগ্রহণের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য রয়েছে। তাই এই সময়ে বেশ কিছু নিয়ম পালনের চল রয়েছে। গ্রহণের সময় পুজো, খাবার ও দৈনন্দিন কাজকর্মের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা মেনে চলা হয়। তাই বছরের পরবর্তী সূর্যগ্রহণ কখন ঘটবে এবং ভারতে এর প্রভাব দৃশ্যমান হবে কিনা তা জানতে মানুষ আগ্রহী।
আসলে ২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ ১৭ ফেব্রুয়ারি হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এটি ভারত থেকে দেখা যায়নি। এবার সকলের নজর রয়েছে দ্বিতীয় সূর্যগ্রহণের দিকে। জেনে নেওয়া যাক এই সূর্যগ্রহণ কখন হবে?
২০২৬ সালের দ্বিতীয় সূর্যগ্রহণ হবে ১২ অগাস্ট। হরিয়ালি অমাবস্যাও এই দিনে পড়েছে। ফলে এই দিনের ধর্মীয় মাহাত্ম্য আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৩ আগস্ট রাত ৯:০৪ মিনিটে শুরু হবে এই গ্রহণ, চলবে ভোর ৪:২৫ মিনিট পর্যন্ত। এটি এই শতাব্দীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম সূর্যগ্রহণ। সময় দেখেই বোঝা যাচ্ছে, ভারতে এই গ্রহণ দৃশ্যমান হবে না। তাই এখানে সূতক কাল প্রযোজ্য হবে না।
সূর্যগ্রহণের সময় কী কী করা উচিত?
গ্রহণের সময়, সূর্য মন্ত্র বা গায়ত্রী মন্ত্র জপ করতে করতে ভগবান সূর্যের ধ্যান করা শুভ বলে মনে করা হয়। গ্রহণ শেষ হওয়ার পর গঙ্গা জল দিয়ে স্নান করুন। সারা বাড়িতে গঙ্গা জল ছিটিয়ে দিন। গ্রহণের পরে, খাঁটি ঘি দিয়ে প্রদীপ জ্বালান এবং ভগবান সূর্যের পূজা করুন।
পাশাপাশি গ্রহণে অভাবীদের খাদ্য, পোশাক বা অর্থ দান করা পুণ্যজনক বলে মনে করা হয়। গ্রহণের সময়, একটি তামার পাত্রে জল ভরে তাতে লাল ফুল দিন। গ্রহণ শেষ হওয়ার পরে, সূর্য দেবতার কাছে প্রার্থনা করুন। বাড়ির মন্দির পরিষ্কার করুন। ভগবানকে তাজা ফুল অর্পণ করুন। গ্রহণের পরে মিষ্টি খাবার তৈরি করে প্রসাদ হিসাবে বিতরণ করাও শুভ বলে মনে করা হয়। গ্রহণের সময় মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ করাও নেতিবাচক শক্তি দূর করার জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়।