টাকা কিছুতেই জমে নাVastu Tips For Financial Stability 2026: মাসের শেষে পকেটের টান আর আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের অসঙ্গতি, আধুনিক জীবনে এটাই যেন দস্তুর হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোজগার মন্দ নয়, কিন্তু জমানোর কথা ভাবলেই কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে। এই অবস্থায় অনেকেই শৈশবের সেই মাটির ভাঁড়ের শরণাপন্ন হন।
জ্যোতিষ ও বাস্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্রেফ একটা মাটির ভাঁড় কিনে আনলেই কেল্লাফতে হবে না। সেই ভাঁড়টি ঘরের কোন দিকে রাখা হচ্ছে এবং তাকে ঘিরে কী কী নিয়ম পালিত হচ্ছে, তার ওপরই নির্ভর করে আপনার সঞ্চয়ের ভাগ্য। আকাশছোঁয়া মুদ্রাস্ফীতির বাজারে দাঁড়িয়ে তাই সাবেকি মাটির ভাঁড় ও বাস্তুর যুগলবন্দি এখন শিলিগুড়ি থেকে কলকাতার মধ্যবিত্ত অন্দরমহলে এক নতুন চর্চার বিষয়।
বাস্তুশাস্ত্র মতে, অর্থ সঞ্চয়ের জন্য সবথেকে শুভ দিক হলো উত্তর। শাস্ত্রজ্ঞরা মনে করেন, উত্তর দিক হলো ধনসম্পদের দেবতা কুবেরের খাসতালুক। তাই শোওয়ার ঘর বা বসার ঘরের উত্তর দিকে একটি মাটির ভাঁড় রাখলে অর্থ আগমনের পথ প্রশস্ত হয় এবং অযথা খরচ কমে। এছাড়া পূর্ব দিককেও শুভ বলে গণ্য করা হয়, যা ঘরে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার করে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখে। বিড়লা-রাজের আভিজাত্য যেমন সঠিক পরিকল্পনার ওপর টিকে থাকে, তেমনই আপনার কঠোর পরিশ্রমের অর্থ ধরে রাখতেও এই দিক-নির্ণয় অত্যন্ত জরুরি। দক্ষিণ বা পশ্চিম দিকে ভুল করেও সঞ্চয়ের ভাঁড় রাখা উচিত নয় বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সঞ্চয়ের এই ভাঁড়টি রাখার ক্ষেত্রেও রয়েছে কিছু রাজকীয় নিয়ম। ভাঁড়টি সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জায়গায় রাখা উচিত, বিশেষ করে আলমারি বা লকারের কাছাকাছি রাখলে তা অত্যন্ত ফলদায়ক হয়। ভাঁড়টি যেন কখনওই পুরোপুরি খালি না থাক, অন্তত দু-একটি কয়েন সবসময় তাতে ফেলে রাখা শুভ। এছাড়া লাল বা হলুদ রঙের ভাঁড় ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বাস্তুবিদরা। রান্নাঘর বা বাথরুমের ধারেকাছে এই ভাঁড় রাখা অশুভ বলে মনে করা হয়।