Vastu Tips: স্বামী-স্ত্রী এক প্লেটে খেলে ভালোবাসা সত্যিই বাড়ে? জেনে নিন জ্যোতিষীর মত

অনেক বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী একসাথে একই প্লেটে খায়। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এটি যথাযথ মনে হলেও ধর্মীয় শাস্ত্র এবং ব্যবহারিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটা কী আদৌ উপযুক্ত? এটিকে বহুলপ্রচলিত ভুল বললেও বাড়িয়ে বলা হবে না। অনেক বাড়িতেই দেখা যায় যে স্বামী-স্ত্রী একই থালা থেকে খাবার খেয়ে নিচ্ছেন। কেউ ভালবেসে করেন, কেউ আবার বেশি বাসন বাড়াব না সেই ভাবনায় করে থাকেন। 

Advertisement
স্বামী-স্ত্রী এক প্লেটে খেলে ভালোবাসা সত্যিই বাড়ে? জেনে নিন জ্যোতিষীর মত স্বামী ও স্ত্রী

অনেক বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী একসাথে একই প্লেটে খায়। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এটি যথাযথ মনে হলেও ধর্মীয় শাস্ত্র এবং ব্যবহারিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটা কী আদৌ উপযুক্ত? এটিকে বহুলপ্রচলিত ভুল বললেও বাড়িয়ে বলা হবে না। অনেক বাড়িতেই দেখা যায় যে স্বামী-স্ত্রী একই থালা থেকে খাবার খেয়ে নিচ্ছেন। কেউ ভালবেসে করেন, কেউ আবার বেশি বাসন বাড়াব না সেই ভাবনায় করে থাকেন। 

উদ্দেশ্য যা-ই হোক, এই কাজ করা উচিত নয়। এর ফলে কী হয়, জেনে নিন।

আসতে পারে আর্থিক সঙ্কট 
নেগেটিভ শক্তি বৃদ্ধির ফলে আয়ের উপর প্রভাব পড়ে। এর ফলে অর্থহানির আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। টাকাপয়সার টানাটানি দিন দিন বাড়তে থাকে। মাঝেমধ্যে একই থালা থেকে খাবার খাওয়া যেতেই পারে, তবে প্রতি দিন এ কাজ করলে এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

অশান্তি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে
অশান্তি বৃদ্ধির আশঙ্কা: বাস্তুশাস্ত্র জানাচ্ছে, স্বামী-স্ত্রী যদি নিয়মিত একই থালায় খাবার খান, তা হলে বাড়িতে নেগেটিভ শক্তির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, যার প্রভাব সংসারের উপর পড়ে। এর ফলে ঝগড়া-অশান্তি লেগেই থাকে।

নষ্ট হয় পারিবারিক ভারসাম্য
পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর যেমন একে অপরের প্রতি দায়িত্ব রয়েছে, তেমনই বাড়ির বাকি সদস্যদের প্রতিও সমান দায়িত্ব আছে। স্বামী-স্ত্রী একই থালায় খাবার খেলে সেই দায়িত্ব লোপ পায়, এর ফলে পারিবারিক ভারসাম্য নষ্ট হয়। সেই কারণে একই থালা থেকে খাবার খাওয়া উচিত নয় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র।

ভীষ্ম পিতামহ যখন তীরের শয্যায় ছিলেন, তখন তিনি পাণ্ডবদের একটি সফল, সুখী এবং ধার্মিক জীবনযাপনের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছিলেন। এর মধ্যে খাবারও রয়েছে। এই মতে স্বামী-স্ত্রীকে এক প্লেটে খেতে দেওয়া হয় না। এমনকি প্রাচীনরাও প্রায়ই তা করতে অস্বীকার করে।

ভীষ্ম পিতামহের মতে, এমন খাবার কখনই খাওয়া উচিত নয় যেখানে কারও পা স্পর্শ করা হয়েছে বা কেউ সেই খাবার অতিক্রম করেছে। এই ধরনের খাবার কাদার মত অপবিত্র। এই ধরনের খাবার খেলে মানুষের শরীরে নেতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি পায়, যা তার শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতি করে। এটি জীবনে দারিদ্র্যও নিয়ে আসে।

Advertisement


 

POST A COMMENT
Advertisement