Which Foot To Step Out First For Luck: শুভ কাজে যাওয়ার আগে কোন পা প্রথম বাড়াবেন? ভাগ্য ফেরাতে এই টোটকা অব্যর্থ

Which Foot To Step Out First For Luck: যোগ বিজ্ঞান ও স্বর শাস্ত্র অনুযায়ী, আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রবাহের সঙ্গে এই নাড়িগুলির সরাসরি যোগ রয়েছে। যেমন, ‘ইড়া নাড়ি’ চন্দ্র শক্তির সঙ্গে যুক্ত এবং এটি শরীরের বাম অংশের সঙ্গে সম্পর্কিত। যখন আমাদের বাঁ দিকের নাক বা নথুনি দিয়ে শ্বাস বেশি সক্রিয় থাকে, তখন বুঝতে হবে ইড়া নাড়ি কাজ করছে।

Advertisement
শুভ কাজে যাওয়ার আগে কোন পা প্রথম বাড়াবেন? ভাগ্য ফেরাতে এই টোটকা অব্যর্থWhich Foot To Step Out First For Luck: শুভ কাজে যাওয়ার আগে কোন পা প্রথম বাড়াবেন? ভাগ্য ফেরাতে এই টোটকা অব্যর্থ

Which Foot To Step Out First For Luck: কোনও গুরুত্বপূর্ণ বা শুভ কাজের উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বেরনোর সময় আমরা অনেকেই ইষ্টদেবতাকে স্মরণ করি কিংবা দই-মিষ্টি মুখে দিই। কিন্তু আপনি কি জানেন, যাত্রার শুরুতে আপনার কোন পা প্রথম ঘরের বাইরে পড়ছে, তার ওপরও নির্ভর করে কাজের সাফল্য? সনাতন ভারতীয় ঐতিহ্য এবং যোগ শাস্ত্রে মানুষের শরীরের শক্তি বা এনার্জিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বিশেষ কিছু নাড়ির উল্লেখ রয়েছে। আমাদের শরীরে মূলত তিনটি প্রধান নাড়ি কাজ করে। ইড়া, পিঙ্গলা এবং সুষুম্না। এই নাড়িগুলির সক্রিয়তার ওপর ভিত্তি করেই নির্ধারিত হয় শুভ-অশুভের চাবিকাঠি, যাকে প্রাচীন মুনি-ঋষিরা ‘স্বর বিজ্ঞান’ বলে অভিহিত করে গিয়েছেন।

যোগ বিজ্ঞান ও স্বর শাস্ত্র অনুযায়ী, আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রবাহের সঙ্গে এই নাড়িগুলির সরাসরি যোগ রয়েছে। যেমন, ‘ইড়া নাড়ি’ চন্দ্র শক্তির সঙ্গে যুক্ত এবং এটি শরীরের বাম অংশের সঙ্গে সম্পর্কিত। যখন আমাদের বাঁ দিকের নাক বা নথুনি দিয়ে শ্বাস বেশি সক্রিয় থাকে, তখন বুঝতে হবে ইড়া নাড়ি কাজ করছে। এই নাড়িটি মানুষের মনকে শান্ত রাখে, মানসিক ভারসাম্য ও কল্পনাশক্তি বৃদ্ধি করে এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে। অন্যদিকে, ‘পিঙ্গলা নাড়ি’ সূর্য শক্তির প্রতীক, যা শরীরের ডান অংশের সঙ্গে যুক্ত। ডান দিকের নাক দিয়ে শ্বাস বেশি চললে এই নাড়ি সক্রিয় হয়। পিঙ্গলা নাড়ি সক্রিয় থাকলে মানুষের মধ্যে প্রচুর এনার্জি, যুক্তি, আত্মবিশ্বাস এবং কর্মতৎপরতা দেখা দেয়।

বাস্তু ও ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, বাড়ি থেকে বেরনোর সময় আপনার শরীরের কোন নাড়িটি সক্রিয় রয়েছে, সেই অনুযায়ী প্রথম কদম বা পা ফেলা উচিত। ঘর থেকে বেরনোর মুহূর্তে যদি আপনার বাম নাক দিয়ে শ্বাস বেশি চলে (ইড়া নাড়ি), তবে বাম পা আগে বাইরে বাড়ান। আর যদি ডান নাক দিয়ে শ্বাস বেশি চলে (पिंगला नाड़ी), তবে ডান পা আগে বাইরে রাখুন। মনে করা হয়, এই নিয়ম মেনে সঠিক পায়ে যাত্রা শুরু করলে শরীরে ইতিবাচক বা পজিটিভ শক্তির সঞ্চার হয় এবং কাজে বাধা-বিপত্তি কেটে গিয়ে সাফল্যের সম্ভাবনা একধাক্কায় বহুগুণ বেড়ে যায়। উল্টোদিকে, ভুল পা বাড়িয়ে যাত্রা শুরু করলে পদে পদে কাজের খাতিরে रुकावट বা বাধার সম্মুখীন হতে হতে পারে।

Advertisement

শুধু বাইরে যাওয়ার সময়ই নয়, প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময়ও এই নিয়ম মেনে বিছানা থেকে পা নামানোর পরামর্শ দেয় স্বর শাস্ত্র। বিশেষ করে পুরুষদের ক্ষেত্রে সকালে যদি ডান দিকের স্বর চালু থাকে, তবে ডান পা এবং বাম দিকের স্বর চালু থাকলে বাম পা আগে মাটিতে রাখা উচিত। স্বর বিজ্ঞান বলছে, আমাদের শরীরে শ্বাসের এই প্রবাহ কিন্তু স্থায়ী নয়, এটি প্রতি ৬০ থেকে ৯০ মিনিট অন্তর অন্তর নিজে থেকেই পরিবর্তিত হতে থাকে। তাই যে কোনও শুভ কাজ, গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা, চাকরির ইন্টারভিউ, বানিজ্যিক বৈঠক বা বড় কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঠিক আগে নিজের শ্বাসের স্থিতি পরীক্ষা করে নেওয়া অত্যন্ত লাভজনক। এমনকি দূরযাত্রার শুরুতে সক্রিয় স্বর অনুযায়ী পা বাড়ালে ভ্রমণের ঝুটঝামেলা অনেকটাই কমে যায়।

আজকের দিনেও বহু মানুষ ঘর থেকে বেরনোর আগে মাত্র কয়েক সেকেন্ড থমকে দাঁড়িয়ে নিজেদের সক্রিয় স্বর বা শ্বাস পরীক্ষা করে নেন। এটি পরীক্ষা করা অত্যন্ত সহজ। নাকের ঠিক নীচে নিজের হাত রেখে জোরে শ্বাস ছাড়লে বোঝা যায় কোন নাসারন্ধ্র দিয়ে বেশি হাওয়া বের হচ্ছে। যে দিক দিয়ে বেশি হাওয়া বের হবে, সেটাই আপনার সেই মুহূর্তের সক্রিয় স্বর। যোগ বিজ্ঞান স্পষ্ট বলছে, আমাদের মানসিক স্থিতি ও শারীরিক শক্তি সম্পূর্ণভাবে শ্বাসের ওপর নির্ভরশীল। পিঙ্গলা সক্রিয় থাকলে মানুষ অনেক বেশি সিদ্ধান্তপ্রবণ ও এনার্জেটিক হয়, আর ইড়া সক্রিয় থাকলে মানুষ থাকে শান্ত ও মানসিকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ। তাই জীবনের প্রতি পদে শুভত্ব ও সাফল্যের ছোঁয়া পেতে আজ থেকেই সঠিক স্বর চিনে সঠিক পা বাড়িয়ে পথ চলা শুরু করুন।

 

POST A COMMENT
Advertisement