ডিএ-র সঙ্গে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, কমবে কেন্দ্রের সঙ্গে বেতনের ফারাকও; ৭ম বেতন কমিশনের বড় তথ্য

এছাড়াও পর্যালোচনার অধীনে থাকা অন্য ভাতাগুলির মধ্যে রয়েছে বাড়ি ভাড়া ভাতা, পরিবহন ভাতা, সন্তানদের শিক্ষা ভাতা এবং ছাত্রাবাস ভর্তুকি। কমিশন আরও খতিয়ে দেখবে, একটি সংশোধিত বেতন কাঠামোর অধীনে 'বেসিক পে' বা প্রাথমিক বেতন কীভাবে নির্ধারণ করা উচিত। 

Advertisement
ডিএ-র সঙ্গে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, কমবে কেন্দ্রের সঙ্গে বেতনের ফারাকও; ৭ম বেতন কমিশনের বড় তথ্যডিএ নিয়ে খবর
হাইলাইটস
  • ২০২৬ সালের ২২ জুলাই সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা হয়
  • তারপরই এল বড় খবর

রাজ্য সরকারি কর্মীদের সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। খোলা হবে পোর্টাল। জানিয়েছে নবান্ন। একইসঙ্গে সরকারি কর্মীদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের প্রস্তাব রাখা হয়েছে ৩ থেকে ৫ শতাংশ। ফলে মহার্ঘ ভাতার সঙ্গে সঙ্গে বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের সুবাদে বেতন বাড়বে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের।  এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন, সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় সরকারি কর্মীদের সুবিধার জন্য নানা দিক খতিয়ে দেখা হবে। এবং তার তথ্য প্রকাশ করা হবে পোর্টালে।

সরকারি কর্মীদের জন্য পর্যালোচনার অধীনে থাকা অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হল  বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি অর্থাৎ স্যালারি হাইক। সূত্রের খবর কমিশন খতিয়ে দেখবে যে এটি বাড়িয়ে ৫% করা যায় কিনা। একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের স্যালারি লেভেলকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের বেতনের কাছাকাছি নিয়ে আসার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখবে কমিশন। কমিশনকে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বর্তমান বেতন কাঠামো, মহার্ঘ ভাতা (ডিএ), বিশেষ ভাতা এবং অন্যান্য যাবতীয় সুযোগ ও সুবিধা পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে। 

এছাড়াও পর্যালোচনার অধীনে থাকা অন্য ভাতাগুলির মধ্যে রয়েছে বাড়ি ভাড়া ভাতা, পরিবহন ভাতা, সন্তানদের শিক্ষা ভাতা এবং ছাত্রাবাস ভর্তুকি। কমিশন আরও খতিয়ে দেখবে, একটি সংশোধিত বেতন কাঠামোর অধীনে 'বেসিক পে' বা প্রাথমিক বেতন কীভাবে নির্ধারণ করা উচিত। 

সরকারি সূত্রে খবর, ১১ বছর পর এককালীন পেনশন পুনঃস্থাপন, অবসরের পর ছুটির হিসেবে এবং ৩০ জুন অবসর গ্রহণকারী কর্মচারীদের জন্য অতিরিক্ত বেতন বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলোও বিবেচনা করবে। 

প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের ২২ জুলাই সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা হয়। এরপর পোর্টাল চালুর সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে সরকার। সরকারের দাবি, কমিশন সংক্রান্ত তথ্যের জন্য একটি নির্দিষ্ট এবং অনুমোদিত উৎস থাকলে কর্মী ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডাররা বিভ্রান্তিকর তথ্যের হাত থেকে রক্ষা পাবেন।

যদিও কমিশন এখনও কাজের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এখনও কোনও সুপারিশ করা হয়নি। ফলে কর্মী ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে শুধুমাত্র যাচাই করা তথ্য পৌঁছনোর ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Advertisement

সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বেতন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতনের সামঞ্জস্যপূর্ণ কীভাবে করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা করবে কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের সপ্তম বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত IAS আধিকারিক অতনু চক্রবর্তী। IAS আধিকারিক দেবীপ্রসাদ কর্ণম কমিশনের সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

POST A COMMENT
Advertisement