শেয়ারমার্কেটে বিভ্রান্তিবৃহস্পতিবার অদ্ভুত খেলা দেখাচ্ছে ভারতের শেয়ারমার্কেট। আর্লি ট্রেডিং-এ সেনসেক্স এবং নিফটি অস্থির। এ দিন সকালে প্রথমে গ্রিন জোনে খোলে বাজার। তারপর হুট করে সেটা রেড জোনে চলে যায়। যদিও বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ বা সেনসেক্স ৭৭,০০০ এর উপরেই রয়েছে। আর নিফটি রয়েছে ২৪,০০০ এর উপরেই। এটাই মোটের উপর ভাল খবর।
সেনসেক্স ও নিফটির ওপেনিংয়ে কী হয়?
বুধবার ৭৭,১৫৫ পয়েন্টে শেষ করে সেনসেক্স। আর বৃহস্পতিবার সেটাই খোলে ৭৭,১৩১ পয়েন্টে। তারপর হুট করে এটি গ্রিন জোনে চলে যায়। সেটা পৌঁছে যায় ৭৭,২৮১ পয়েন্টে। যদিও তারপরই নেমে যায় সেনসেক্স। এটি পৌঁছে যায় ৭৭,০৪৪ পয়েন্টে।
ও দিকে একই হাল ছিল নিফটির। আগের দিনের ক্লোজিং ২৪,০৮৫ থেকে কিছুটা পড়ে ২৪,০৭৩-তে শেষ করে এটি। তারপর আবার এটি রেড জোন এবং গ্রিন জোনে চলে যায়।
শেয়ারবাজারে বিভ্রান্তি
আমেরিকা থেকে আসা একাধিক খবরেই শেয়ারবাজারে হইচই। আসলে আমেরিকার ফেডারেল রিজার্ভ নিজেদের সুদের হার অপরিবর্তীত রেখেছে। এটি ৩.৫০ শতাংশ থেকে ৩.৭৫ শতাংশেই রাখা হয়েছে। আর তাতেই মার্কেটের মতিগতি খারাপ হয়ে যায়।
যদিও এই পরিস্থিতিতে একটা ভাল খবর দিয়েছে আমেরিকা। তারা জানিয়েছে ইতিমধ্যেই ইরানের সঙ্গে চুক্তি সাক্ষর হয়ে গিয়েছে। যার ফলে দাম কমেছে অপরিশোধিত তেলের। এমনকী মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কাও নেমে এসেছে। আর এই খবরে খুশি বাজার।
কোন কোন স্টকের হাল খারাপ?
বাজারের এই অস্থিরতার জন্য একাধিক স্টকের হাল খারাপ। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতেও কিছু স্টক লাফিয়েছে। যেমন লার্জক্যাপ স্টকে ট্রেন্টের শেয়ার ১.৫০ শতাংশ, বেইএল শেয়ার ১.২০ শতাংশ এবং এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক ১.১০ শতাংশ লাফিয়েছে।
মিডক্যাপ ক্যাটাগোরিতে নায়কার শেয়ার ১.২০ শতাংশ এবং ইয়েস ব্যাঙ্কের শেয়ার ১.১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর স্মলক্যাপ সেকশনে কার্বোরুনিফ শেয়ার ৭ শতাংশ, রেডিংটন শেয়ার ৫.৫০ শতাংশ, অ্যাবরেল শেয়ার ২.৫০ শতাংশ, ওক ফার্মার শেয়ার ২.১০ শতাংশ এবং এইচএসলিএল শেয়ার ১.৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে বিনিয়োগ করবেন না। তার আগে নিজে রিসার্চ করুন। পারলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। তাহলেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।