scorecardresearch
 

'ওয়ার্ক ফ্রম হোমে' খরচ বৃদ্ধি! বাজেটে বড় তোফা দিতে পারে কেন্দ্র

Budget 2022: করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০২০ সালে শুরু হয় লকডাউন। কর্মীদের বাড়িতে থেকে কাজ বা ওয়ার্ক ফ্রম হোমে উৎসাহ দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারি ও বেসরকারি বহু অফিসে শুরু হয় 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম'।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ- ফাইল ছবি। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ- ফাইল ছবি।
হাইলাইটস
  • করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০২০ সালে শুরু হয় লকডাউন।
  • কর্মীদের বাড়িতে থেকে কাজ বা ওয়ার্ক ফ্রম হোমে উৎসাহ দেয় কেন্দ্রীয় সরকার।
  • 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম' যাঁরা করছেন তাঁদের স্বস্তি দিতে পারে কেন্দ্র।

ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ বাজেট পেশ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। করোনা অতিমারির জেরে বিপর্যস্ত গোটা দুনিয়ার অর্থনীতি। এই সময়ে মানুষের আয় কমেছে। এই পরিস্থিতিতে বাজেটে নির্মলা সীতারমন কী কী ব্যবস্থা নেন সেই দিকে চোখ থাকবে গোটা দেশের। এর মধ্য়েই 'ওয়ার্ক ফ্রম কালচার' বেড়েছে করোনাকালে। এতে অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে কর্মীদের। তাই 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম' যাঁরা করছেন তাঁদের খরচের ভার লাঘব করতে চাইছে সরকার। এমনটাই সূত্রের খবর।         

করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০২০ সালে শুরু হয় লকডাউন। কর্মীদের বাড়িতে থেকে কাজ বা ওয়ার্ক ফ্রম হোমে উৎসাহ দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারি ও বেসরকারি বহু অফিসে শুরু হয় 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম'। অনেক অফিসে তা এখনও বিদ্যমান। নতুন করে করোনা পরিস্থিতির জের বহু অফিসে ফের ঘরে থেকে কাজ করছেন কর্মীরা। অভিযোগ উঠছে, বহু সংস্থা কর্মীদের দিয়ে বেশিক্ষণ কাজ করাচ্ছে। সেই সঙ্গে ইন্টারনেট, টেলিফোন ও অফিসের অন্যান্য যন্ত্রপাতি রাখায় বিদ্যুতের বিলের খরচ বেড়ে গিয়েছে। তাই আসন্ন বাজেটে 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম'-এ কর ছাড়ের আশা করছেন কর্মীরা। ইংল্যান্ডেও ঘরে থেকে যে সব কর্মীরা কাজ করছেন, তাঁদের জন্য ছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। 

ডেলোয়েট ইন্ডিয়া (Deloitte India) সুপারিশ করেছে, ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাতা বাবদ অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া হোক ওয়ার্ক ফ্রম হোম করা কর্মীরা। 

বাজেটের আগে সরকারকে প্রস্তাব দিয়েছে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্টস অব ইন্ডিয়া। (Institute of Chartered Accountants of India -ICAI)। তারা জানিয়েছে, ওয়ার্ক ফ্রম হোমের জন্য কেনা জিনিসপত্র, আসবাবকে ছাড়ের আওতায় আনা হোক। বাড়ানো স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশনের সীমা। ৫০ হাজার থেকে তা বাড়িয়ে করা হোক ১ লক্ষ টাকা। 

আরও পড়ুন- কেন দিল্লিতে কোভিডে মৃত্যু বাড়ছে? জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আসছে ওয়ার্ক ফ্রম হোম আইন!

শোনা যাচ্ছে, ওয়ার্ক ফ্রম হোমে কর্মীদের স্বার্থে নতুন আইনও আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কারণ এই ব্যবস্থায় কর্মীদের দিয়ে অতিরিক্ত সময় কাজ করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। অথচ 'ওভার টাইমের' টাকা দিচ্ছে না সংস্থা। অফিস যাতায়াতে সাশ্রয় হলেও ইন্টারনেট-বিদ্যুতের বিল বাবদ কর্মীদের পকেট থেকে বেশি টাকা খসছে। নতুন বিধিতে ঘরে থেকে কাজের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত সময় কাজ করলে বাড়তি অর্থ পাবেন কর্মীরা। পাশাপাশি ইন্টারনেট ও বিদ্যুতের খরচ যাতে সংস্থাই দেয় তা-ও নিশ্চিত করা হবে আইনে। কবে এই আইন আসবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। পর্তুগালে ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত আইন পাশ হয়েছে। বলা হয়েছে, কর্মীদের হোম গ্যাস, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটের বিল দিতে হবে নিয়োগকারীকেই।  

আরও পড়ুন- ক্ষতি হচ্ছিল পুরুষদের যৌনাঙ্গ, ভ্রূণের! বাতিল হল কোভিডের এই ওষুধ