ক্রেডিট স্কোর বাড়াবেন কীভাবে?হাতের কাছে সবসময় টাকা না থাকাই স্বাভাবিক। তবে স্বপ্ন তো আর টাকার ধার ধারে না। বরং তা নিজের মতো করে এগিয়ে যায়। তাই স্বপ্নপূরণের স্বার্থে অনেকেই ব্যাঙ্ক থেকে লোন নেন। তার মাধ্যমেই ঘর, বাড়ি, গাড়ি, বাইক কিনে স্বপ্নপূরণ করেন।
তবে ব্যাঙ্কে গিয়ে ঋণ চাইলেই কিন্তু তারা দেওয়ার জন্য বসে নেই। লোন দেওয়ার আগে ব্যাঙ্ক আপনার পোর্টফোলিও দেখবে। পাশাপাশি খতিয়ে দেখা হবে ক্রেডিট স্কোর। এই স্কোর ৭০০ থেকে ৮০০-এর মধ্যে থাকলে ভাল। আর ৮০০-এর উপরে থাকলে আরও ভাল। এই স্কোরের মাধ্যমেই ব্যাঙ্ক বুঝবে যে আপনি টাকা ফেরত দিতে কতটা সক্ষম। তারপর ঋণ পাবেন। ইন্টারেস্টও ঠিক করা হবে।
এখন প্রশ্ন হল, ক্রেডিট স্কোর বাড়াবেন কী ভাবে? তারও কিছু রাস্তা দেখানো হল এখানে।
ঠিক সময়ে টাকা দিন
সবার প্রথমে ঋণের টাকা ঠিক সময়ে ফেরত দেওয়া শুরু করতে হবে। বিশেষত, ইএমআই পেমেন্ট মিস করা চলবে না। এই ভুলটা করলে কিন্তু আপনার ক্রেডিট স্কোর এক ধাক্কায় কমে যেতে পারে। তাই চেষ্টা করুন সময়ে ইএমআই দিয়ে দেওয়ার। তাতেই দেখবেন কাজ হবে।
অটোমেটিক পেমেন্ট বেছে নিন
অনেক সময় ইএমআই দেওয়ার দিনটা মনে থাকে না। আর সেই কারণেই ইএমআই মিস হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে কমে যায় ক্রেডিট স্কোর। তাই এই ভুলটা একবারেই করা চলবে না। বরং কোনও ইএমআই চললে তাকে অটো পে মোডে রাখুন। তাতেই দেখবেন কোনও ভুল হবে না।
মিনিমাম পেমেন্ট করুন
এমনটা হতেই পারে যে আপনার কাছে এখন ক্রেডিট কার্ডের পুরো টাকা দেওয়ার পয়সা নেই। কিন্তু তাই বলে চুপচাপ বসে থাকবেন না। বরং চেষ্টা করুন মিনিমাম পেমেন্ট করে দেওয়ার। তাতে ক্রেডিট স্কোর কমবে না। উল্টে বাড়বে। আপনাকে ব্যাঙ্ক চাইলেই দেবে ঋণ।
ক্রেডিট লিমিট চান বেশি
অনেকেই কম ক্রেডিট লিমিটের কার্ড ব্যবহার করেন। যার ফলে তাদের ক্রেডিট লিমিটের অধিকাংশটাই ব্যবহার হয়ে যায়। আর সেই কারণে কমে যায় ক্রেডিট স্কোর। এটা ভবিষ্যতে সমস্যায় ফেলে। তাই ব্যাঙ্কের থেকে বেশি ক্রেডিট লিমিট চান।
লো রেশিও মেনে চলুন
ধরুন আপনার ক্রেডিট লিমিট রয়েছে ১০ হাজার টাকা। চেষ্টা করুন এই কার্ডে ৩ হাজার টাকার বেশি ব্যবহার না করার। তাতেই উপকার মিলবে হাতেনাতে। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই বাড়বে ক্রেডিট স্কোর।