এফডি না আরডি, কোথায় বেশি লাভ জানুনফিক্সড ডিপোজিটে জমা রাখার মতো বড় অঙ্কের টাকা নেই? নো টেনশন। প্রতি মাসে অল্প অল্প করে সঞ্চয় করুন। বেস্ট অপশন রেকারিং ডিপোজিট (RD)। আরডি-তে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ঝুঁকি অত্যন্ত কম। শেয়ার বাজার বা মিউচুয়াল ফান্ডগুলির তুলনায় রিটার্ন কিছুটা কম মিললেও, তা থাকে একবারে সুনির্দিষ্ট ও নিশ্চিত। চলুন জেনে নেওয়া যাক, আরডি অ্যাকাউন্ট ঠিক কী, প্রতি মাসে ঠিক কত টাকা জমা দেওয়া সম্ভব এবং ফিক্সড ডিপোজিটের সঙ্গে তফাতটাই বা কোথায়?
আরডি অ্যাকাউন্ট আসলে কী?
রেকারিং ডিপোজিটের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা জমা করার সুযোগ পান। বিনিয়োগ শুরুর সময় থেকেই সুদের হার একই থাকে। ফলে রিটার্ন নিয়ে কোনও ধোঁয়াশা তৈরি হয় না।
কোথায় খোলা যাবে অ্যাকাউন্ট?
যে কোনও পোস্ট অফিস, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক কিংবা বেসরকারি ব্যাঙ্কে অনায়াসেই আরডি অ্যাকাউন্ট খোলা সম্ভব। এই অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা জমা দিতে পারেন। বিনিয়োগের সর্বোচ্চ কোনও সীমা নির্ধারণ করা নেই।
আরডি এবং এফডি-র মধ্যে তফাৎ কোথায়?
ফিক্সড ডিপোজিটের ক্ষেত্রে এককালীন টাকা জমা রাখতে হয়। নির্দিষ্ট মেয়াদের ভিত্তিতে ব্যাঙ্ক গ্রাহককে একটি সুনির্দিষ্ট সুদের হার দেয়। আরডি-তে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা জমানো যায়। তাই ধীরে ধীরে সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে এটা দারুণ বিকল্প।
আরডি-র সুবিধা
সাধারণ সেভিংস অ্যাকাউন্টের তুলনায় এতে সুদের হার অনেকটাই বেশি। তবে চক্রবৃদ্ধি সুদের হিসাব ধরলে ফিক্সড ডিপোজিটের তুলনায় আরডি-তে রিটার্ন কিছুটা কমই পাওয়া যায়। চলতি বছরে অধিকাংশ ব্যাঙ্কেই ফিক্সড ডিপোজিট এবং রেকারিং ডিপোজিটের বার্ষিক সুদের হার ঘোরাফেরা করছে ৫.৫ শতাংশ থেকে ৭.৭৫ শতাংশের মধ্যে।