Blinkit-এর ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে Flipkart Minutesশেষ দশ-বারো বছরে হু হু করে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ই-কমার্স মার্কেটগুলি। ফ্লিপকার্ট থেকে শুরু করে অ্য়ামাজন, মিনত্রার মতো অ্যাপভিত্তিক ই-কমার্সগুলির সেল বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে গত কয়েক বছরে হিট হচ্ছে অনলাইন সেলস দুনিয়ার আরও একটি সুপারহিট স্কিম। ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলির কয়েক মিনিটে ডেলিভারির বহর হু হু করে বাড়ছে। ঘরে বসেই কোনও জিনিস অর্ডার করে ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই সেই প্রোডাক্ট পেয়ে যাচ্ছে সাধারণ মানুষ। ফলে গ্রাহকেরাও এই পরিষেবার ভূয়সী প্রশংসা করছেন।
এই চটজলদি সার্ভিস নিয়ে সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে সুইস আর্থিক পরিষেবা সংস্থা ইউবিএস। দেশের কুইক ই-কমার্স ডেলিভারির জগতের তথ্য তুলে ধরে সংস্থাটি জানাচ্ছে, বড় শহরগুলিতে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে ফ্লিপকার্ট মিনিটস (Flipkart Minutes) -এর পরিষেবা। কিছু ক্ষেত্রে ব্লিঙ্কিটের (Blinkit)-এর ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে এই সংস্থা। এবার দেখে নেওয়া যাক, ঠিক কোন ক্ষেত্রে ফ্লিপকার্ট মিনিটস সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কুইক ই-কমার্স ডেলিভারির ক্ষেত্রে বৃহত্তর গ্রাহকগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানোর জন্য ডার্ক স্টোরের সংখ্যা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফ্লিপকার্ট মিনিটস এখন প্রায় ১৩০টি শহরে ১,০০০-এরও বেশি ডার্ক স্টোরের নেটওয়ার্ক তৈরি করে ফেলেছে। মিনিটস সরাসরি ভাবে একটাই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে, তা হল যত বেশি সম্ভব গ্রাহকের কাছে দ্রুত পণ্য পৌঁছে দেওয়া।
অন্যদিকে, গড় অর্ডার ভ্যালুর দিক থেকে ফ্লিপকার্ট মিনিটস ব্লিঙ্কিটকে জোর টক্কর দিচ্ছে। স্মার্টফোন কেনাকাটা বাদ দিলে, ফ্লিপকার্ট মিনিটস-এর গড় অর্ডার ভ্যালু রয়েছে ৫০০ থেকে ৫৩০ টাকা। যেখানে ব্লিঙ্কিট-এর গড় অর্ডার ভ্যালু প্রায় ৫১৮ টাকা।
মোবাইল ফোন মিনিটসকে অ্যাডভান্টেজ দিচ্ছে
মোবাইল ফোন এবং ইলেকট্রনিক্স পণ্যের অর্ডারের ক্ষেত্রে গড় অর্ডারের ভ্যালু অনেকটাই বেড়ে যায়। আর এক্ষেত্রে ফ্লিপকার্টের আগে থেকেই যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে, যে কারণে স্মার্টফোন ও ইলেকট্রনিক্স কেনাকাটার ক্ষেত্রে ফ্লিপকার্ট মিনিটসকেই বেছে নিচ্ছেন গ্রাহকেরা।
ফ্লিপকার্ট মিনিটস-এর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে?
ভবিষ্যতে ফ্লিপকার্ট মিনিটস পরিষেবার বহর বাড়াতে আরও ডার্ক স্টোরের সংখ্যা আরও বাড়াতে পারে। সংস্থাটি আগামী বছরের মাঝামাঝি নাগাদ আরও প্রায় ১,০০০ ডার্ক স্টোর খোলার পরিকল্পনা করছে। ডার্ক স্টোরের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে সংস্থাটি ভবিষ্যতে আরও বেশি গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে এবং আরও দ্রুত অর্ডার ডেলিভারি করতে পারবে।