ফেটে গেল বুদবুদ, Budget 2026 এর আগে কতটা সস্তা হল Gold, Silver Price

গত ২৪ ঘণ্টায় রুপোর দাম কমেছে প্রায় ৮৫,০০০ টাকা। সোনাও কমল। কয়েক দিন আগেই রুপোর দর কেজি প্রতি ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকায় পৌঁছে গিয়েছিল। সোনা চলে গিয়েছিল ২ লক্ষ টাকার দোরগোড়ায়।

Advertisement
ফেটে গেল বুদবুদ, Budget 2026 এর আগে কতটা সস্তা হল Gold, Silver Priceসোনা ও রুপোর দাম
হাইলাইটস
  • রুপোর দাম কমেছে প্রায় ৮৫,০০০ টাকা।
  • সোনাও কমল।

সোনা ও রুপোর দাম বেড়েই চলছিল। শুক্রবার, বাজেটের ঠিক আগে ফেটে গেল বুদবুদ। ধড়াম করে নীচে নামল দুই ধাতুর দাম। এমসিএক্স তো বটেই, বাজারের সোনা এবং রুপোও হল সস্তা। গত ২৪ ঘণ্টায় রুপোর দাম কমেছে প্রায় ৮৫,০০০ টাকা। সোনাও কমল। কয়েক দিন আগেই রুপোর দর কেজি প্রতি ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকায় পৌঁছে গিয়েছিল। সোনা চলে গিয়েছিল ২ লক্ষ টাকার দোরগোড়ায়।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টেয় মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (MCX) রুপোর দাম এক ধাক্কায় ৬৫,০০০ টাকা কমে হল ৩ লক্ষ ৩৫ হাজার ১ টাকা। বৃহস্পতিবার এই রুপোই পৌঁছে গিয়েছিল ৪ লক্ষ ২০ হাজার ৪৮ টাকায়। মানে এক দিনেই রুপো সস্তা হয়েছে ৮৫ হাজার টাকা। একই ছবি সোনার দরেও। ২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সোনার দাম ছিল ১ লক্ষ ৯৩ হাজার ৯৬ টাকা। শুক্রবার তা কমে হল ১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৪০৬ টাকা। অর্থাৎ প্রায় ২৫ হাজার ৫০০ টাকা।

এবার আসা যাক বুলিয়ন বাজারের দরে। এমসিএক্সের মতো এখানে ধড়াম করে পড়ল সোনা ও রুপোর দর। শুক্রবার দশ গ্রাম হলমার্কের সোনার গয়নার হলমার্কের সোনার গয়নার দাম ১ লক্ষ ৬১ হাজার ৫৫০ টাকা। সেই দাম বৃহস্পতিবার ছিল ১ লক্ষ ৬৯ হাজার ৬৫০ টাকা। মানে ২৪ ঘণ্টায় দাম কমল ৮ হাজার ১০০ টাকা। ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১ লক্ষ ৬৯ হাজার ৯৫০ টাকা। বৃহস্পতিবার ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ৪৫০ টাকায় বিকোচ্ছিল। অর্থাৎ দাম কমেছে ৮ হাজার ৫০০ টাকা। রুপো তো আরও বেশি পড়েছে। শুক্রবার ১ কেজি রুপোর দাম ৩ লক্ষ ৫১ হাজার ১৫০ টাকা। বৃহস্পতিবার তা ছিল ৩ লক্ষ ৮৫ হাজার ৩০০ টাকা। দাম কমল ৩৪ হাজার ১৫০ টাকা।

ধাতু শুক্রবার বৃহস্পতিবার দাম কমল
সোনা (22K)  ₹১,৬৯, ৯৫০  ₹১,৭৮, ৪৫০ ₹৮,৫০০ 
হলমার্ক গয়নার সোনা  ₹১, ৬১,৫৫০  ₹১, ৬৯, ৬৫০ ₹৮,১০০ 
 রুপো (১ কেজি) ₹৩,৫১,১৫০ ₹৩,৮৫,৩০০   ₹৩৪,১৫০

হঠাৎ এই পতনের কারণ কী? 

বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, গত কয়েক দিনে সোনা ও রুপোর দাম বেড়ে আকাশ ছুঁয়েছিল। এবার বিনিয়োগকারীরা বিক্রি করে মুনাফা ঘরে তুলছেন। 

Advertisement

শর্ট সেলিং: বাজারে বিক্রির চাপ বাড়তেই শর্ট সেলাররা সক্রিয় হয়ে ওঠেন। রুপোর দাম হুড়মুড়িয়ে পড়ে। শর্ট সেলিং হল আগে থেকে পণ্য বেচে দেওয়া। দাম নীচে গেলে সেটাই কিনে নেওয়া।

শক্তিশালী ডলার:  ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান বদল করেছেন ট্রাম্প। ডলারের শক্তি বেড়েছে। ফলে সোনা ও রুপোর মতো ধাতুর দাম কমেছে।

বিশ্ব রাজনীতি: বিশ্বজুড়ে চলা উত্তজনা প্রশমিত হওয়ার ইঙ্গিত। নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনা-রুপোয় আর কেউ টাকা ঢালতে চাইছেন না। 

ধস নামল গোল্ড-সিলভার ইটিএফেও:

ধাতব বাজারের এই অস্থিরতার প্রভাব সরাসরি পড়েছে শেয়ার বাজারে থাকা গোল্ড এবং সিলভার ইটিএফের ওপর। বিভিন্ন ইটিএফের দর প্রায় ২০% পর্যন্ত পড়েছে। আইসিআইসিআই সিলভার ইটিএফ ২০.১৪% এবং নিপ্পন ইন্ডিয়া সিলভার ইটিএফ ১৮.৫৯% কমেছে। সোনার ক্ষেত্রেও টাটা গোল্ড ইটিএফ ৯.১৬% এবং নিপ্পন ইন্ডিয়া ১০.৫০% পড়েছে।

POST A COMMENT
Advertisement