Gold Silver Price Cut: এক মাসেই ১৫ হাজার টাকা কমল সোনা, রুপো ৪০ হাজার, কারণ আমেরিকা 

সোনা ও রুপোর দাম আচমকা নিম্নমুখী। জুন মাসে অনেকটা সস্তা হয়েছে দুই ধাতু। আসলে মার্কিন ফেডারেল ব্যাঙ্কের সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

Advertisement
এক মাসেই ১৫ হাজার টাকা কমল সোনা, রুপো ৪০ হাজার, কারণ আমেরিকা সোনা, রুপো কেন সস্তা হচ্ছে, জানুন কারণ।
হাইলাইটস
  • সোনা ও রুপো আগের চেয়ে সস্তা।
  • মার্কিন ফেডারেল ব্যাঙ্কের সিদ্ধান্ত নিয়ে দোলাচল।

দাম কমছে সোনা ও রুপোর। মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে সপ্তাহের শুরুতেই বড়সড় ধসের মুখ দেখেছে দুই ধাতু। এমসিএক্সে মাসের প্রথম দিনেই সোনা ১৯০০ টাকা সস্তা হয়েছে। আর রুপো ৬০০০ টাকা।    

বুধবার, ১ জুলাই বাজার খুলতেই এমসিএক্স-এ অগাস্টের সোনার ফিউচার্স প্রায় ১ শতাংশ পড়ে যায়। এর জেরে প্রতি ১০ গ্রাম সোনার দাম নেমে আসে ১ লক্ষ ৪১ হাজার ৩০০ টাকায়। এমসিএক্স সেপ্টেম্বর রুপোর বাজারও সকালের দিকে প্রায় ২ শতাংশেরও বেশি পড়ে যায়। ফলে প্রতি কিলোগ্রাম রুপোর দাম কমে দাঁড়ায় ২ লক্ষ ২৩ হাজার ৮৫০ টাকায়।

জুনে সস্তা সোনা-রুপো

জুনে সোনা ও রুপোর দামে ব্যাপক পতন দেখা গিয়েছিল। এমসিএক্স-এর পরিসংখ্যান বলছে, জুনে ভারতে সোনার স্পট প্রাইস প্রায় ১০ শতাংশ অর্থাৎ ১৫,১০০ টাকা কমেছে। ৩০ জুন বাজার বন্ধ হওয়ার সময় প্রতি ১০ গ্রাম সোনার দাম দাঁড়িয়েছিল ১ লক্ষ ৪০ হাজার ৮৬৪ টাকার কাছাকাছি। অন্যদিকে, রুপোর বাজারেও বড়সড় পতন। জুনে রুপোর দাম প্রায় ১৫ শতাংশ অর্থাৎ ৩৮,২৫০ টাকা কমে ৩০ জুন প্রতি কিলোগ্রাম ২ লক্ষ ২৫ হাজার ১২৫ টাকায় বন্ধ হয়েছিল। আন্তর্জাতিক বাজারে ২০১৩ সালের পর এই প্রথম সোনার দামে রেকর্ড পতন।

কেন এই পতন?

বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, সোনা ও রুপোর দাম এভাবে কমে যাওয়ার নেপথ্যে রয়েছে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক ফেডারেল রিজার্ভের সুদ বৃদ্ধির আশঙ্কা। মনে করা হচ্ছে, ডলারের টানা মূল্যবৃদ্ধির জেরে ফেডারেল রিজার্ভ চলতি বছরে আরও তিনবার সুদের হার বাড়াতে পারে। বাজারের অধিকাংশ লগ্নিকারীদের অনুমান, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর এবং ডিসেম্বরে সুদের হার বাড়াতে পারে মার্কিন ব্যাঙ্ক।

আগামী ২৮-২৯ জুলাই মার্কিন ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির পরবর্তী বৈঠক হওয়ার কথা। এই বৈঠকের আগেই সোনার বাজারে প্রবল চাপ তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি, জুন মাসে ডলার সূচক ২ শতাংশের বেশি লাফিয়ে এখন ১০১.৩৫-এর কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। ডলার শক্তিশালী হওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই ভারতীয় টাকা-সহ অন্যান্য মুদ্রায় সোনা কেনা বেশ ব্যয়সাপেক্ষ হয়ে উঠেছে। আর তার জেরেই বিশ্ববাজারে কমছে সোনার চাহিদা।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement