SIP Calculator: ২০ বছরেই কোটিপতি, SIP তে কত টাকা ইনভেস্ট করলে এটা সম্ভব? হিসেব বুঝুন

অনেকেরই কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন রয়েছে। আর সেটা কোনও বড় কথা নয়। এখন অনেকেই কোটিপতি। যে কোনও মানুষই কোটিপতি হতে পারেন। শুধু ঠিকঠাক ফিনান্সিয়াল প্ল্যানিং করতে হবে। তাহলে মাত্র ২০ বছরের মধ্যেই হওয়া যাবে কোটিপতি। 

Advertisement
২০ বছরেই কোটিপতি, SIP তে কত টাকা ইনভেস্ট করলে এটা সম্ভব? হিসেব বুঝুনSIP ক্যালকুলেটের
হাইলাইটস
  • অনেকেরই কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন রয়েছে
  • যে কোনও মানুষই কোটিপতি হতে পারেন
  • ঠিকঠাক ফিনান্সিয়াল প্ল্যানিং করতে হবে

অনেকেরই কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন রয়েছে। আর সেটা কোনও বড় কথা নয়। এখন অনেকেই কোটিপতি। যে কোনও মানুষই কোটিপতি হতে পারেন। শুধু ঠিকঠাক ফিনান্সিয়াল প্ল্যানিং করতে হবে। তাহলে মাত্র ২০ বছরের মধ্যেই হওয়া যাবে কোটিপতি। 

এখন আপনি জিজ্ঞেস করতেই পারেন, ঠিক কোথায় টাকা রাখলে ২০ বছরের মধ্যে কোটিপতি হওয়া সম্ভব? এর উত্তরে বলি, আপনাকে নিজের বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে এবং বিশেষজ্ঞরের পরামর্শ নিয়ে নিয়মিত মিউচুয়াল ফান্ডে ইনভেস্ট করতে হবে। তাহলেই কোটপতি হওয়ার স্বপ্নপূরণ হবে। 

আসলে এসআইপি হল সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান। এক্ষেত্রে প্রতিমাসে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ইনভেস্ট করা হয়। সেই টাকা মূলত মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা হয়। তারপর মিউচুয়াল ফান্ডের ম্যানেজাররা নির্দিষ্ট কিছু স্টকে টাকাটা ইনভেস্ট করে দেন। সেখান থেকে মেলে রিটার্ন।

এখন প্রশ্ন হল, ২০ বছরে ১ কোটি টাকা জমাতে ঠিক কত টাকা করে মাসে ইনভেস্ট করতে হবে? 

  • যদি ১০ শতাংশ হারে বার্ষিক রিটার্ন পান, তাহলে মাসে ১৩০০০ থেকে ১৪০০০ টাকা ইনভেস্ট করতে হবে।
  • যদি ১২ শতাংশ হারে বার্ষিক রিটার্ন পান, তাহলে মাসে ইনভেস্ট করতে হবে ১০,০০০ থেকে ১১,০০০ টাকা।
  • যদি ১৫ শতাংশ হারে বার্ষিক রিটার্ন পান, তাহলে মাসে ৭,০০০ থেকে ৮,০০০ টাকা জমাতে হবে।

এই হল সহজ হিসেব। এই হিসেব মেনেই ইনভেস্ট করুন। তাহলেই মিটে যাবে সমস্যা।

কত টাকা রিটার্ন পেতে পারেন? 
এই প্রসঙ্গে বলি, এসআইপি-তে মোটামুটি ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে রিটার্ন পাওয়া যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রিটার্ন থাকে ১২ শতাংশ। তাই এই হিসেবটা ধরেই এগতে হবে। মোটামুটি ১০,০০০ টাকা করে ইনভেস্টমেন্ট চালু করুন। তাহলেই ভাল পরিমাণ রিটার্ন পাবেন। 

এখানে একটা কথা বলি, মিউচুয়াল ফান্ড মূলত লার্জক্যাপ, মিডক্যাল ও স্মলক্যাপ ফান্ডে করা হয়। এছাড়াও একাধিক ধরনের ফান্ড রয়েছে। তবে এগুলিতেই বিনিয়োগের ঝোঁক বেশি। এক্ষেত্রে লার্জক্যাপের ঝুঁকি কিছুটা কম। মিড আর স্মলক্যাপের ঝুঁকি অনেকটাই বেশি।

বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।

 

POST A COMMENT
Advertisement