India Economic Growth: দেশের অর্থনীতির জন্য বড় খবর! তৃতীয় ত্রৈমাসিকে GDP প্রবৃদ্ধি ৭.৮%

চলতি অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে(অক্টোবর-ডিসেম্বর) দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার দাঁড়াল ৭.৮ শতাংশ। অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের তুলনায় এটি কিছুটা হলেও বেশি। আর সেই কারণেই এটি বেশ ইতিবাচক বলেই মনে করছে অর্থনৈতিক মহল।

Advertisement
দেশের অর্থনীতির জন্য বড় খবর! তৃতীয় ত্রৈমাসিকে GDP প্রবৃদ্ধি ৭.৮%ভূ-রাজনৈতিক টানাপড়েন এবং মূল্যবৃদ্ধির চাপের মধ্যেও ভারতের অর্থনীতি যে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে, এই পরিসংখ্যান তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
হাইলাইটস
  • চলতি অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে(অক্টোবর-ডিসেম্বর) দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার দাঁড়াল ৭.৮ শতাংশ।
  • অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের তুলনায় এটি কিছুটা হলেও বেশি।
  • সেই কারণেই এটি বেশ ইতিবাচক বলেই মনে করছে অর্থনৈতিক মহল।

চলতি অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে(অক্টোবর-ডিসেম্বর) দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার দাঁড়াল ৭.৮ শতাংশ। অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের তুলনায় এটি কিছুটা হলেও বেশি। আর সেই কারণেই এটি বেশ ইতিবাচক বলেই মনে করছে অর্থনৈতিক মহল। আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা, ভূ-রাজনৈতিক টানাপড়েন এবং মূল্যবৃদ্ধির চাপের মধ্যেও ভারতের অর্থনীতি যে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে, এই পরিসংখ্যান তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উৎপাদন (Manufacturing), পরিষেবা (Services) এবং বিনিয়োগ কার্যকলাপের উন্নতি; এই তিন ক্ষেত্রেই গতি বাড়ায় জিডিপি বৃদ্ধি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিকাঠামো খাতে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি এবং বেসরকারি বিনিয়োগের ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ানো অর্থনীতির ভিতকে আরও মজবুত করেছে।

চলতি অর্থবর্ষ ২০২৫-২৬ (FY26)-এর জন্য সরকার নামমাত্র জিডিপি (Nominal GDP) বৃদ্ধির হার ৮.৬ শতাংশ হতে পারে বলে অনুমান করেছে। নামমাত্র জিডিপিতে মূল্যস্ফীতির প্রভাব অন্তর্ভুক্ত থাকে, ফলে এই হার রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নামমাত্র বৃদ্ধি বেশি হলে কর সংগ্রহ বাড়ার সম্ভাবনা থাকে এবং আর্থিক ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারকে সুবিধা দেয়।  

এদিকে অর্থ মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য বলছে, এপ্রিল থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে রাজকোষীয় ঘাটতি (Fiscal Deficit) সংশোধিত বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা ১৫.৫৮৫ লক্ষ কোটি টাকার প্রায় ৬৩ শতাংশে পৌঁছেছে। অর্থবর্ষের এই পর্যায়ে ঘাটতির এই হারকে সাধারণত ভারসাম্যপূর্ণ বলে ধরা হয়। অর্থাৎ, সরকার আয় ও ব্যয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখার চেষ্টা করছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (Q2) দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৭.৬ শতাংশ। প্রথম ত্রৈমাসিকে তা ছিল আরও বেশি; ৮.২ শতাংশ। সেই তুলনায় তৃতীয় ত্রৈমাসিকের ৭.৮ শতাংশ বৃদ্ধি ধারাবাহিক স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয়, Reserve Bank of India (RBI) তৃতীয় ত্রৈমাসিকে প্রায় ৬.৮ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিল। অর্থ মন্ত্রকের তরফেও প্রায় ৭ শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। বাস্তবে সেই পূর্বাভাস ছাপিয়ে ৭.৮ শতাংশে পৌঁছনো অর্থনীতির স্থিতিস্থাপকতাকেই সামনে আনছে।

Advertisement

বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী ত্রৈমাসিকেও যদি উৎপাদন ও পরিষেবা খাতে গতি বজায় থাকে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় কোনও ধাক্কা না আসে, তবে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে আরও শক্তিশালী থাকতে পারে।

POST A COMMENT
Advertisement