ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তিভারত এবং আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তি অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। অন্তবর্তী চুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক বা কাঠামোও ঘোষণা হয়েছে আজ। আর এই চুক্তি থেকে জানা যাচ্ছে যে এখন থেকে ভারতীয় পণ্যের উপর শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হল। অপরদিকে রাশিয়ার উপর তেল কেনার জন্য যেই ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানো হয়েছিল, সেটাও তুলে নেওয়া হল।
যার সহজ অর্থ হল, এবার আমেরিকায় ভারতের বাণিজ্য বাড়বে। পাশাপাশি বাণিজ্য চুক্তি ফাইনাল করার কাজেও এগানো যাবে।
আর এই বাণিজ্য চুক্তি সম্পর্কে বিশদে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী পীযুষ গোয়েল। তিনি দাবি করেছেন, এর ফলে ভারতের সামনে ৩০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাজার খুলে গেল। এছাড়া নরেন্দ্র মোদীও চুক্তির ভাল দিক নিয়ে করেছেন মন্তব্য। তাই আর সময় না করে এই চুক্তির ১০ ভাল দিক সম্পর্কে জেনে নিন।
১. ভারতের উপর থেকে উঠে গেল ৫০ শতাংশ শুল্ক। এখন থেকে ১৮ শতাংশ লাগু হল। যার ফলে আমেরিকার বাজারে বাড়বে ভারতীয় পণ্যের বিক্রি।
২. এর ফলে ৩০ ট্রিলিয়ন ডলারের আমেরিকার বাজার ভারতের জন্য খুলে গেল। এটা দেশের জন্য বিরাট ভাল খবর।
৩. বস্ত্র, চামড়া, প্লাস্টিক, রবার, জৈব রসায়ন, হোম ডেকর, হস্তশিল্প পণ্য এবং কিছু যন্ত্রাংশের ব্যবসার সুযোগ অনেকটাই বৃদ্ধি পেল।
৪. ওদিকে ভারতও আমেরিকার থেকে আগামী ৫ বছরে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের জিনিস কিনবে বলে জানিয়েছে। এর মধ্যে তেল, বিমান, ফাইটার জেট, এনার্জি এবং খাবার রয়েছে।
৫. আমেরিকার ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল গুডস এবং কৃষি পণ্যের উপর শুল্ক কমাবে ভারত।
৬. শস্য, বাদাম, ফল, সোয়াবিন তেল, ওয়াইন এবং মদের উপর শুক্ল কমানো হচ্ছে ভারতের পক্ষ থেকে। যার ফলে কম টাকায় পাওয়া যাবে এই সব জিনিস।
৭. জেনেরিক ওষুধ, রত্ন এবং হিরের উপর থেকে শুল্ক কমাচ্ছে আমেরিকা।
৮. এই চুক্তি ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা, কৃষকদের জন্য ভাল খবর। যাঁরা চাকরি খুঁজছেন, তাঁদেরও নতুন সুযোগ দেবে এই চুক্তি। প্রচুর কর্মসংস্থান তৈরি হবে।
৯. তবে আটা, চাল, সোয়াবিন, পোলট্রি, মাংস, দুধ, চিজ, ইথানল, তামাক এবং কিছু সবজির উপর শুল্ক কমাচ্ছে না ভারত। এই সব জায়গায় কিন্তু খুব একটা কব্জা করতে পারবে না আমেরিকা।
১০. এই চুক্তির ফলে আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত হবে।