শীঘ্রই ফাইনাল হচ্ছে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তিভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে সামনে এল বড় খবর। আগামী সপ্তাহেই এই ট্রেড ডিল। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল। এবার সেই চুক্তি এগিয়ে নিয়ে যেতে ভারত সফরে আসছেন মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমসন গ্রির। এই সপ্তাহেই তিনি ভারতে আসবেন বলে জানা গিয়েছে। এই সফরে গ্রির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং অন্য উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
বৈঠকের বিষয়ে কী জানা যাচ্ছে?
ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আমেরিকা -ভারত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির আওতায় একটি অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি এবং একটি যৌথ বিবৃতি নিয়ে আলোচনা করা হবে। ২১ জুন আমেরিকার তরফে এ সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরও সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এই আপডেট জানান।
মোদী-ট্রাম্পের আলোচনার পরেই ভারত সফরে মার্কিন প্রতিনিধি
জি-৭ সামিটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের পর ভারত ও আমেরিকার মধ্যে এই চুক্তি সংক্রান্ত নতুন তথ্য সামনে এসেছে। আমেরিকা জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে বৈঠকের পর চুক্তিটি নিয়ে আরও আলোচনার জন্যই জেমসন গ্রির ভারত সফরে আসছেন। আশা করা হচ্ছে, এই বৈঠকে চুক্তিটি এবং এর ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
এই বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ কেন?
ভারত ও আমেরিকা বর্তমানে দুটি প্রধান বাণিজ্যিক পার্টনার। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ১৯০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে। উভয় সরকারই আগামী বছরগুলোতে বাণিজ্য আরও বৃদ্ধি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। তাই, জেমসন-গ্রির ভারত সফর এবং এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন আর্থিক বিশেষজ্ঞরা। কারণ ভারত-আমেরিকা ট্রেড ডিলের পরবর্তী গতিপথ এই বৈঠকের উপরেই নির্ভর করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই চুক্তি নিয়ে এখন পর্যন্ত কী হয়েছে?
ভারত ও আমেরিকার মধ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু দুই দেশের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা এখনও শেষ হয়নি। উভয় পক্ষই এই চুক্তি নিয়ে ক্রমাগত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং শীঘ্রই চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে। ভারত আমেরিকার কাছে আরও শুল্ক হ্রাসের দাবি করতে পারে, অন্যদিকে আমেরিকাও ভারতের বাজারে নির্দিষ্ট কিছু কৃষি পণ্যের এন্ট্রির জন্য অনুমতি চাইছে, ফলে এই চুক্তি একটি বড় গেম চেঞ্জার হতে পারে।