RBI Crackdown On NBFCs 2026: দেড়শো অর্থলগ্নি সংস্থার লাইসেন্স বাতিল করল রিজার্ভ ব্যাংক, তালিকার প্রথম সারিতে বাংলা ও দিল্লি

RBI Crackdown On NBFCs 2026: এই নজিরবিহীন অভিযানে সবথেকে বেশি কোপ পড়েছে দিল্লি ও পশ্চিমবঙ্গের সংস্থাগুলির ওপর। সংখ্যার বিচারে দিল্লি শীর্ষে থাকলেও, আমাদের পশ্চিমবঙ্গ রয়েছে ঠিক তার পরেই। এই বিশাল ক্র্যাকডাউনের জেরে গোটা অর্থলগ্নি সেক্টরে এখন প্রবল আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Advertisement
দেড়শো অর্থলগ্নি সংস্থার লাইসেন্স বাতিল করল রিজার্ভ ব্যাংক, তালিকার প্রথম সারিতে বাংলা ও দিল্লিদেড়শো অর্থলগ্নি সংস্থার লাইসেন্স বাতিল করল রিজার্ভ ব্যাংক, তালিকার প্রথম সারিতে বাংলা ও দিল্লি

RBI Crackdown On NBFCs 2026: আর্থিক শৃঙ্খলায় রাশ টানতে এবার কার্যত ‘বুলডোজার’ চালাল রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (RBI)। নিয়মভঙ্গ ও অস্বচ্ছতার দায়ে দেশের প্রায় ১৫০টি নন-ব্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল কোম্পানি বা এনবিএফসি-র রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট বাতিল করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই নজিরবিহীন অভিযানে সবথেকে বেশি কোপ পড়েছে দিল্লি ও পশ্চিমবঙ্গের সংস্থাগুলির ওপর। সংখ্যার বিচারে দিল্লি শীর্ষে থাকলেও, আমাদের পশ্চিমবঙ্গ রয়েছে ঠিক তার পরেই। এই বিশাল ক্র্যাকডাউনের জেরে গোটা অর্থলগ্নি সেক্টরে এখন প্রবল আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

আমরা জানতে পেরেছি, ১৯৩৪ সালের আরবিআই আইনের ৪৫-আইএ(৬) ধারা প্রয়োগ করে এই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি আর কোনওভাবেই ঋণদান, বিনিয়োগ বা আমানত সংগ্রহের মতো কাজ করতে পারবে না। তালিকায় যেমন রয়েছে দিল্লির ‘উমেদ লিজিং’ বা ‘কাসাল ইন্ডিয়া’, তেমনই রয়েছে কলকাতার ‘শেফেয়ার ইমপেক্স’-এর মতো পুরনো সব নাম। এছাড়া হরিয়ানা, তেলঙ্গানা ও মহারাষ্ট্রের বেশ কিছু সংস্থাও বাদ পড়েনি।

রিজার্ভ ব্যাংকের সাফ কথা, বহু সংস্থা রেজিস্ট্রেশনের শর্ত মানছিল না। আমরা লক্ষ্য করেছি, গত ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত দফায় দফায় এই অভিযান চলেছে। জানুয়ারি মাসে ৩৫টি, ফেব্রুয়ারিতে ৩৬টি এবং মার্চ মাসে এক ধাক্কায় ৫৪টি সংস্থার ডানা ছাঁটা হয়েছে। আরবিআই স্পষ্ট জানিয়েছে:

জিরো টলারেন্স
নিয়মভঙ্গকারী কোনও সংস্থাকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আমানতকারীদের সুরক্ষা দেওয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। বেশ কিছু সংস্থা অবশ্য মার্জার বা ব্যবসা বন্ধ হওয়ার কারণে নিজেরাই লাইসেন্স ফিরিয়ে দিয়েছে। এরপর প্রশ্ন উঠছে, ঋণগ্রহীতাদের কী হবে? আমরা আপনাদের আশ্বস্ত করছি, সংস্থার লাইসেন্স বাতিল হলেও যারা ঋণ নিয়েছেন, তাদের কিন্তু টাকা শোধ করতেই হবে। আইনি চুক্তি অনুযায়ী ঋণদাতারা সেই টাকা আদায়ের ক্ষমতা রাখে।

যেসব সংস্থার নামের সাথে ‘ফিনান্স’, ‘লিজিং’ বা ‘ক্যাপিটাল’ যুক্ত ছিল এবং যারা ৯০-এর দশক থেকে ব্যবসা করছিল, তাদের অনেকেরই নথিতে গরমিল মিলেছে। আরবিআই জানিয়ে দিয়েছে, লাইসেন্স বাতিলের পর যদি কেউ গোপনে লেনদেন চালায়, তবে তা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। আসলে শ্যাডো ব্যাংকিং ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতেই এই ‘ক্লিন-আপ ড্রাইভ’। নজর এখন এই অর্থলগ্নি সংস্থাগুলির পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement