Zomato-Blinkit এর ফেভারিট ঠিকানা এখন 'যন্তর মন্তর', CJP Protest থেকে বাম্পার অর্ডার

যন্তর মন্তরে খাবার, নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদিখানার জিনিস, বিস্কুট থেকে শুরু করে ব্যান্ডেজের মতো প্রাথমিক চিকিৎসার উপকরণের চাহিদা বেড়েছে। রাত পর্যন্ত ডেলিভারি করছে ই-কমার্স সাইটগুলি।

Advertisement
Zomato-Blinkit এর ফেভারিট ঠিকানা এখন 'যন্তর মন্তর', CJP Protest থেকে বাম্পার অর্ডারযন্তর মন্তরে বাড়ছে অনলাইন অর্ডার।
হাইলাইটস
  • যন্তর মন্তরে বেড়ে গিয়েছে অনলাইন অর্ডার।
  • রাত পর্যন্ত ডেলিভারি করছে ই-কমার্স সাইটগুলি।

ঠিকানা 'যন্তর মন্তর বিরোধস্থল'। মধ্যরাতেও পৌঁছে যাচ্ছে জোম্যাটো, সুইগির একের পর এক অর্ডার। পরিস্থিতি এমন যে ফুড ডেলিভারি অ্যাপ এবং কুইক কমার্স প্ল্যাটফর্ম সুইগি, জোম্যাটো, ব্লিনকিট, জেপ্টো ও ইন্সটামার্ট নিজেদের অ্যাপে ডেলিভারি ঠিকানাতেও রেখে দিয়েছে ‘যন্তর মন্তর বিরোধস্থল’ (Jantar Mantar Protest Site)।

একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাকরোচ জনতা পার্টির (CJP)-র নেতৃত্বে চলা আন্দোলনের জেরে যন্তর মন্তরে খাবার, নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদিখানার জিনিস, বিস্কুট থেকে শুরু করে ব্যান্ডেজের মতো প্রাথমিক চিকিৎসার উপকরণের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ম্যাকডোনাল্ডস, কেএফসি, বার্গার কিং-এর মতো ফাস্টফুড ব্র্যান্ডগুলির পাশাপাশি পানীয় জল, জুস, কোল্ড ড্রিঙ্কস ও স্ন্যাক্স বিক্রয়কারী সংস্থাগুলি ডেলিভারি এগ্রিগেটর এবং দিল্লির কনট প্লেস সংলগ্ন আউটলেটগুলিতে পণ্যের জোগান বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। 

বিক্ষোভস্থলে থাকা আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের তরফ থেকে শেষরাতের দিকে, এমনকি রাত ৩টেয় অর্ডার আসছে। একটি কুইক ই-কমার্স সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকের দাবি, গত ২০ জুলাই থেকে প্রতিবাদস্থলে অর্ডারের সংখ্যা প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ হারে বেড়েছে। গভীর রাত পর্যন্ত নাগাড়েই অর্ডার আসছে। 

যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এক অভূতপূর্ব ছবি। আন্দোলনকারীদের জন্য একের পর এক খাবারের প্যাকেট এসে পৌঁছচ্ছে। সুইগি, জোম্যাটো থেকে শুরু করে ব্লিনকিটের ডেলিভারি বয়রা দফায় দফায় ধরনাস্থলে খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন। যন্তর মন্তরে এত পরিমাণ খাবার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী জমা হয়েছে যে, বাধ্য হয়ে আয়োজকেরা সর্বসাধারণের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। তাঁদের বার্তা, এই মুহূর্তে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দয়া করে আর খাবার বা অন্য কোনও জিনিসপত্র পাঠাবেন না। আপাতত পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা লিখেছেন, সুইগি ও জোম্যাটোর ডেলিভারি বয়রা রাত ৩টের সময়ও যন্তর মন্তরে খাবার পৌঁছে দিয়ে গিয়েছেন। যদিও এ বিষয়ে সুইগি, জোম্যাটো কিংবা জেপ্টোকে ইমেল করা হলেও তাদের তরফ থেকে কোনও উত্তর মেলেনি।

Advertisement

অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দাবি করেছেন, একাধিক ক্যাব সংস্থা আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের নিখরচায় গাড়ি পরিষেবা দিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক পোস্টে পড়ুয়ারা লিখেছেন, কনট প্লেসে টিয়ার গ্যাস থেকে বাঁচতে 'ব্লু টোকাই' এবং 'ডোমিনোজ'-এর মতো আউটলেটগুলি যেন এক একটি প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। সেখানে পড়ুয়াদের সাহায্য করা হয়।

 

POST A COMMENT
Advertisement