budget 2021 highlight: একনজরে বাজেটের বড় ঘোষণা বহু প্রত্য়াশিত ২০২১-২২ পেশ হচ্ছে সোমবার। বাজেটের শুরুতেই অর্থমন্ত্রী বলেন, ''অর্থনীতিতে চাঙ্গা করার নেপথ্যে কোভিড ভ্যাকসিনেশনও বড় ভূমিকা নিয়েছে। করোনা পরবর্তী সময় অনেকটাই বদলেছে। কিন্তু ভারত বিশ্বের কাছে উদাহরণ হয়ে থাকবে। প্রতিশ্রুতি রাখতে দেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'' ছয় পিলারে ভাগ করে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। করোনা ও লকডাউন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠে এই বাজেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে কথা মাথায় রেখেই একনজরে দেখে নেওয়া যাক এ বছরের বাজেট হাইলাইটস-
* করোনা টিকার জন্য ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ২ লক্ষ ৮৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হল। ১৩৭ শতাংশ বৃদ্ধি ঘটল স্বাস্থ্য খাতে।
* তিনটি বিষয় দেখব স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে। পিএম আত্মনির্ভর স্বাস্থ্য ৭৪ হাজার কোটি টাকা এই খাতে বরাদ্দ হল। আগামী ৬ বছরে এই টাকা খরচ হবে। জাতীয় স্বাস্থ্য কাঠামোকে শক্তিশালী করা হবে। ৬০২টি জেলা উপকৃত হবে। ২০টি বড় শহরে স্বাস্থ্যর দিকে নজর রাখতে প্রতিষ্ঠান তৈরি হবে। বহু প্রতিষ্ঠান উপকৃত হবে। পুষ্টিজোগানোর যে প্রকল্প আছে তা একত্র করে ১১২টি জেলায় তা ছড়িয়ে দেব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বারবার এই দিকে জোর দিয়েছে। ২.৮৬ কোটি মানুষ কলের জল পাবেন। ২ লক্ষ ৮৭ হাজার কোটি টাকা এর জন্য বরাদ্দ হল।
* বস্ত্রশিল্পের জন্য আলাদা পাথ তৈরি হবে। যাতে এখান থেকে রফতানি হয় এবং কর্মসংস্থান হয়। ন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্র্যাকচার পাইপলাইন-এ ৬ হাজারের বেশি প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছে। ২১৭টি প্রকল্প তাঁর মধ্যে সম্পূর্ণ হয়েছে।
* ৫ লক্ষ কোটি টাকা তিন বছরে ধার দেবে। বিদেশিরাও বিনিয়োগ করতে পারবে সেখানে। সম্পদ বিক্রি করার কথা আগেই জানান হয়েছে। ৭০ হাজার কোটি টাকা জাতীয় সড়কে ব্যয় হয়েছে। এয়ারপোর্ট, রেল, রেল পরিকাঠামো, স্টেডিয়াম রয়েছে এই বাজেটে।
* ৪.১২ লক্ষ কোটি কেন্দ্রীয় খরচ বরাদ্দ হল। মূলধন খাতে একটা বিরাট খরচ বাড়াবার কথা। ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
* ৬৭৫ কিলোমিটার রাস্তা পশ্চিমবঙ্গে তৈরি হবে। এর মধ্যে রয়েছে কলকাতা-শিলিগুড়ি করিডর। যা ঠিকঠাক করা হবে দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থা ঠিক রাখতে। খড়গপুর থেকে বিজয়ওয়ারা এবং ডানকুনিতে ফ্রেইট করিডোর তৈরি হবে।
* বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে একটি প্রতিযোগিতা আনার কথা ভেবেছি। বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া হবে বড় বন্দরগুলিকে। অর্থাৎ এদের দেখভাল করবে বেসরকারি সংস্থা।কিছুটা ভর্তুকি দেওয়া হবে। ১ হাজার কোটির বেশি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। পুরোনও জাহাজ পুনর্নিমাণ করা হচ্ছে। ইউরোপ থেকে জাপান থেকে আরও জাহাজ ভারতে এনে এই কাজ করা হবে। ১.৫ লক্ষ কর্মসংস্থান হবে।
* কৃষি ক্ষেত্রে এমএসপি আরও দেড় গুণ দেওয়া হবে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য হিসেবে। সরকারি প্রোকিউরমেন্ট আগের মত চলবে। গমের জন্য ৩৩ হাজার কোটি টাকা ২০১২-১৩তে দেওয়া হয়েছিল। ২০২০-২১ সালে ৭৫ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে। ধানের জন্য ২০১৩-১৪ সালে ৬৩ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। ২০২০-২১ সালে ১ লক্ষ ৭২ হাজার কোটি টাকা সাহায্য দেওয়া হবে। ১.৫৪ কোটি কৃষক উপকৃত হচ্ছেন। তুলো চাষের জন্য ২৫ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে।
* মেয়েরা সমস্ত ক্যাটেগরিতে কাজ করতে পারবেন। তাঁদের জন্য উপযুক্ত নিরাপত্তা থাকবে।
* শিক্ষানবীশ স্কিম চালু করছি। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়ারা উপকৃত হবে। দুবাই ও জাপানের সঙ্গে চুক্তি করতে শিক্ষাক্ষেত্র উন্নত করতে। উচ্চ শিক্ষা কমিশন তৈরি হবে।
* চা শিল্পের জন্য ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হচ্ছে। বাংলা আসাম চা শ্রমিকদের জন্য বরাদ্দ হল।
* ২০২০-২১ এ ৯.৫ শতাংশ রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। এটার সমাধানের জন্য বাজার থেকে ধার করবে সরকার। ৮০ হাজার কোটি টাকা বাজার থেকে তোলা হবে। মূলধন খাতে খরচ অনেকটাই বাড়াচ্ছি। ২১-২২ অর্থবর্ষে ৬.৮ শতাংশ বলা হচ্ছে। ১২ লক্ষ কোটি টাকা বাজার থেকে ধার করা হবে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের মধ্যে অ্যাসেট বিক্রি করে ট্যাক্স রাজস্ব বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ৪ শতাংশ জিসিটি ধার করার অনুমতি দিচ্ছি রাজ্যগুলিকে। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের মধ্যে ৩ শতাংশ রাজ্যের রাজস্ব ঘাটতি কমে আসবে।