ভারতীয়দের চেয়ে শ্রীলঙ্কার লোকেরাও এখন ধনী? World Bank-এর নতুন রিপোর্টে চমক

শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি চমকপ্রদ ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এমনই তথ্য সামনে এনেছে খোদ বিশ্বব্য়াঙ্ক। ২০২২ সালের ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটের পর শ্রীলঙ্কার একটি বড়সড় মাইলফলক অর্জন করেছে।

Advertisement
ভারতীয়দের চেয়ে শ্রীলঙ্কার লোকেরাও এখন ধনী? World Bank-এর নতুন রিপোর্টে চমকভারতীয়দের চেয়ে শ্রীলঙ্কার লোকেরাও এখন ধনী?
হাইলাইটস
  • ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বিধ্বস্ত হয়ে পড়া শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি।
  • 'আপার-মিডল ইনকাম' দেশের মর্যাদা ফিরে পাচ্ছে দ্বীপরাষ্ট্রটি।
  • ২০২২ সালের ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটের পর শ্রীলঙ্কার জন্য এটি বড়সড় মাইলফলক।

ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বিধ্বস্ত হয়ে পড়া শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি। বিশ্ব ব্যাঙ্কের সাম্প্রতিক রিপোর্টে এই তথ্যই উঠে এসেছে।  দীর্ঘ কয়েক বছর আর্থিক অস্থিরতার পর 'আপার-মিডল ইনকাম' দেশের মর্যাদা ফিরে পাচ্ছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। ২০২২ সালের ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটের পর শ্রীলঙ্কার জন্য এটি বড়সড় মাইলফলক।

শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, জর্ডন এবং ফেডারেটেড স্টেটস অব মাইক্রোনেশিয়ার মতো দেশও 'লোয়ার মিডল ইনকাম' থেকে 'আপার-মিডল ইনকাম' দেশের মর্যাদা পেয়েছে।

কেন শ্রীলঙ্কার উন্নতি হল?

বিশ্বব্যাঙ্কের মতে, ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কা যে ভয়াবহ আর্থিক সঙ্কটে পড়েছিল, সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর ফলেই বিশ্ব ব্যাঙ্কের ব়্যাঙ্কিংয়ে শ্রীলঙ্কার উন্নতি ঘটেছে।

২০২৫ সালে শ্রীলঙ্কার Real GDP বৃদ্ধির হার ছিল ৫ শতাংশ। পাশাপাশি দেশটির অ্যাটলাস গ্রস ন্যাশনাল ইনকামও মাথাপিছু আয় ১১.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বব্যাঙ্ক জানিয়েছে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি কমে আসা এবং বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকার ফলে এই উন্নতি সম্ভব হয়েছে। এর জেরে শ্রীলঙ্কার মাথাপিছু GNI আপার-মিডল ইনকামের দেশের জন্য নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করেছে।

ভারতের অবস্থান কোথায়?

বিশ্বব্যাঙ্কের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, ভারত লোয়ার মিডল আয়ের দেশ হিসেবেই রয়েছে, যদিও বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বড় অর্থনীতিগুলির মধ্যে ভারত অন্যতম। তাহলে বিশ্বের চতুর্থ অর্থনীতির দেশ হলেও, শ্রীলঙ্কার থেকে ভারত পিছিয়ে কেন?

এর কারণ, বিশ্বব্যাঙ্ক মোট জিডিপি নয়, মাথাপিছু GNI-কে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে। ভারতের অর্থনীতির আকার বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ হলেও, ১৪০ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার মধ্যে সেই আয় বণ্টিত হওয়ায় গড় মাথাপিছু আয় এখনও হাই-মিডল ক্লাস আয়ের দেশের নির্ধারিত সীমার নিচে রয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, যদি আগামী বছরগুলিতে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি জনসংখ্যা বৃদ্ধির তুলনায় বেশি থাকে এবং মাথাপিছু আয় ধারাবাহিকভাবে বাড়ে, তাহলে আগামী এক দশকের মধ্যেই ভারত হাই-মিডল ক্লাস আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন করতে পারে।

 

 

POST A COMMENT
Advertisement