
বিপদের দিনে সোনা-ই পরম বন্ধু। কথাটা শুধু সাধারণ গৃহস্থের জন্য নয়, বড় বড় দেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রেও ভীষণ রকম সত্য।

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যে অস্থির পরিস্থিতি, তাতে নিজেদের ভাণ্ডারে হলদে ধাতুর পরিমাণ বাড়িয়ে চলেছে শক্তিশালী দেশগুলি। কিন্তু কার দখলে সবথেকে বেশি সোনা?

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে যে তথ্য উঠে আসছে, তাতে দেখা যাচ্ছে কুবেরের ধন আগলে এখনও শীর্ষস্থানে বসে আছে আমেরিকা। ৮১৩৩ টন সোনা জমা রয়েছে তাদের লকারে।

জার্মানির কাছে আছে ৩৩৫০ টন সোনা, ইতালি ২৪৫২ টন সোনার মালিক। এদিকে ফ্রান্স ২৪৩৭ টন সোনার মালিক হয়ে ৪ নম্বরে। ৫ নম্বরে রয়েছে রাশিয়া। তাদের ভাণ্ডারে রয়েছে ২৩৩০ টন সোনা।

চিনের কী অবস্থা?
তালিকায় পিছিয়ে নেই ড্রাগনের দেশও। চিন গত কয়েক বছর ধরে নিঃশব্দে তাদের সোনার ভাঁড়ার বাড়িয়েই চলেছে। তাদের কাছে ২৩১৩ টন সোনা রয়েছে।

কিন্তু ভারতের অবস্থা কী?
এদেশের মানুষের সোনাপ্রীতি সর্বজনবিদিত। তবে ব্যক্তিগত গয়নার বাইরে খোদ রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ভাঁড়ারেও জমার পরিমাণ নেহাত কম নয়। আমাদের দেশে আছে ৮৮০ টন সোনা। সেখানে পাকিস্তানের কাছে ৬৫ টনের মতো সোনা আছে। বাংলাদেশের কাছে ১৫ টনের কম সোনা আছে।

অর্থনৈতিক মন্দার ঝাপটা সইতে ভারতও এখন অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবে উঠে আসছে। বিশ্ববাজারের এই সোনার লড়াই আসলে শুধু সম্পদ প্রদর্শনী নয়, বরং ডলারের দাপট কমিয়ে নিজেদের মুদ্রাকে শক্তিশালী করার এক গোপন রণকৌশল। কার ভাঁড়ার কতটা উপচে পড়ছে, তা নিয়ে এখন বিশ্বজুড়ে জোর চর্চা।
