WBCS Mains Mandatory Bengali: বড় খবর! WBCS পরীক্ষায় এবার বাংলা ভাষা আবশ্যিক

WBCS Mains Mandatory Bengali: পশ্চিমবঙ্গে এখন থেকে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা দিতে হলে যে কোনও রাজ্যের বাসিন্দাদের বাংলা পরীক্ষা দিতে বসতেই হবে। একমাত্র পাহাড়ের নেপালি ভাষাভাষিদের ক্ষেত্রে নেপালি ভাষায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকছে। এই নির্দেশিকা গত ১৫ মার্চ জারি করা হয়েছে। আসন্ন সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা থেকেই এই নিয়ম লাগু হবে।

Advertisement
বড় খবর! WBCS পরীক্ষায় এবার বাংলা ভাষা আবশ্যিকবড় খবর! WBCS পরীক্ষায় এবার বাংলা ভাষা আবশ্যিক
হাইলাইটস
  • WBCS পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় খবর!
  • WBCS পরীক্ষায় এবার বাংলা ভাষা আবশ্যিক

WBCS Mains Mandatory Bengali: বাংলার সিভিল সার্ভিস (WBCS)পরীক্ষার্থীদের জন্য সুখবর। দীর্ঘদিন ধরেই পরীক্ষায় বাংলা (Bengali) ভাষায় একটি পেপার বাধ্যতামূলক করার চিন্তাভাবনা চলছিল। সেই দাবি মেনে অবশেষে ডাব্লুবিসিএস মেইন (Wbcs Mains)পরীক্ষায় বাংলা বাধ্যতামূলক করা হল। যা দীর্ঘদিনের চাহিদা ছিল। ফলে খুশির হাওয়া বাংলাজুড়ে। পশ্চিমবঙ্গে এখন থেকে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা দিতে হলে যে কোনও রাজ্যের বাসিন্দাদের বাংলা পরীক্ষা দিতে বসতেই হবে। একমাত্র পাহাড়ের (Darjeeling Hills) নেপালি ভাষাভাষিদের ক্ষেত্রে নেপালি (Nepali) ভাষায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকছে। এই নির্দেশিকা গত ১৫ মার্চ জারি করা হয়েছে। আসন্ন সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা থেকেই এই নিয়ম লাগু হবে।

আরও পড়ুনঃ ফালুটে মাইনাস ২ ডিগ্রি, দার্জিলিং-সহ ৩ জেলায় কত?

দীর্ঘদিন ধরেই পরীক্ষায় বাংলা ভাষায় একটি পেপার বাধ্যতামূলক করার চিন্তাভাবনা চলছিল। দেশের বিভিন্ন রাজ্যের সিভিল সার্ভিসে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট রাজ্যের ভাষা নিয়ে একটি পেপারে পরীক্ষায় বসা বাধ্যতামূলক। পশ্চিমবঙ্গে বিসিএস মেইনসে বাংলা, হিন্দি, উর্দু, নেপালি বা সাঁওতালি- এই পাঁচটি ভাষার মধ্যে যে কোনও একটিতে বসা যায়। যদিও বাংলা ভাষা লিখতে, বলতে ও পড়তে পারা প্রার্থীদের যোগ্যতার অন্যতম শর্ত। একমাত্র যাঁদের মাতৃভাষা নেপালি, তাঁদের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য নয়।

বড় খবর! WBCS পরীক্ষায় এবার বাংলা ভাষা আবশ্যিক

শেষ কয়েক বছর থেকেই নানা মহল থেকেই দাবি উঠছিল, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডব্লিউবিসিএস মেইনসে বাংলা ভাষায় একটি বাধ্যতামূলক পেপার রাখা হোক। রাজ্য সরকার এ ব্যাপারে পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে একটি প্রস্তাবনা বানাতে বলেছিল। কমিশন এই পরীক্ষা চালু করার জন্য একটি রূপরেখা বানিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতরে পেশ করেছে। গত বছর ২০২২ সালের মে মাসে দীর্ঘ ছ'বছর পর ডাব্লুবিসিএস অ্যাসোসিয়েশনের এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।সেখানে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।

 

POST A COMMENT
Advertisement