Highest Paid Intern India: ইন্টার্নশিপে মাসে ৪ লাখ আয় কলেজ পড়ুয়ার, সঙ্গে থাইল্যান্ড ট্রিপ, কী পেশা?

Highest Paid Intern India: কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র সিদ্ধার্থ কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই ইন্টার্নশিপের বাজারে ঝড় তুলেছেন এবং তিনি প্রতি মাসে ৪ লাখ টাকা করে উপার্জন করছেন। তাঁর এই অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা তাঁকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে থাইল্যান্ড ভ্রমণের একটি দুর্দান্ত প্যাকেজ উপহার দিয়েছে।

Advertisement
ইন্টার্নশিপে মাসে ৪ লাখ আয় কলেজ পড়ুয়ার, সঙ্গে থাইল্যান্ড ট্রিপ, কী পেশা?Highest Paid Intern India: ইন্টার্নশিপ করে মাসে ৪ লাখ আয় কলেজ পড়ুয়ার, সঙ্গে থাইল্যান্ডের ট্রিপ ফ্রি: কী করছেন তিনি?

Highest Paid Intern India Earn 4 lakhs Per Month: কেরিয়ারের শুরুতে সাধারণত তরুণ তরুণীরা ইন্টার্নশিপ করে কাজ শেখার সুযোগ খোঁজেন। অনেক সময় এই ইন্টার্নশিপে সামান্য কিছু টাকা বা স্টাইপেন্ড মেলে আবার কখনো সেটাও পাওয়া যায় না। তবে এই চেনা ধারণাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়ে এক অবিশ্বাস্য কাণ্ড ঘটিয়ে দেখিয়েছেন সিদ্ধার্থ দুবে নামের এক কলেজ পড়ুয়া। কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র সিদ্ধার্থ কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই ইন্টার্নশিপের বাজারে ঝড় তুলেছেন এবং তিনি প্রতি মাসে ৪ লাখ টাকা করে উপার্জন করছেন। তাঁর এই অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা তাঁকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে থাইল্যান্ড ভ্রমণের একটি দুর্দান্ত প্যাকেজ উপহার দিয়েছে।

জানা গিয়েছে যে সিদ্ধার্থ একটি টেক স্টার্টআপ সংস্থায় ইন্টার্ন হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন এবং বর্তমানে তিনি সেই সংস্থার সবচেয়ে কম বয়সী সদস্য। আইআইটির প্রাক্তন ছাত্র তথা টপমেট নামক সংস্থার সহ প্রতিষ্ঠাতা দীনেশ সিং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম লিঙ্কডইনে একটি পোস্ট করার পরেই সিদ্ধার্থের এই সাফল্যের কাহিনী প্রকাশ্যে আসে এবং তা নিমেষের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। দীনেশবাবু তাঁর পোস্টে লিখেছেন যে সিদ্ধার্থ কলেজের প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করার পাশাপাশি টপমেট সংস্থায় ইন্টার্ন হিসেবে কাজ করছেন এবং গত বছর তিনি সংস্থার হয়ে সবচেয়ে বেশি বিক্রি বা সেল করে দেখিয়েছেন।

উত্তম কাজের পুরস্কার হিসেবে সিদ্ধার্থকে প্রতি মাসে ৪ লাখ টাকা স্টাইপেন্ড দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য সংস্থাই সম্পূর্ণ স্পনসর করে থাইল্যান্ড ট্রিপের ব্যবস্থা করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই সাধারণ মানুষ এবং নেটিজেনরা অবাক হয়ে গিয়েছেন এবং প্রত্যেকেই সিদ্ধার্থের এই বিপুল সাফল্যের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন। দীনেশ সিং তাঁর পোস্টে আরও উল্লেখ করেছেন যে সিদ্ধার্থের কাছে কয়েক বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা বা কোনও জমকালো শিক্ষাগত যোগ্যতার জীবনপঞ্জি বা রিজিউমে ছিল না।

তবে সিদ্ধার্থের মধ্যে এমন এক সহজাত প্রতিভা রয়েছে যা সবার মধ্যে থাকে না এবং তিনি খুব সহজেই যে কোনও অপরিচিত মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের প্রয়োজনটা বুঝে নিতে পারেন। এভাবে খুব কম সময়ের মধ্যে সামনের মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে সিদ্ধার্থ যেকোনো ব্যবসায়িক চুক্তি বা ডিল চূড়ান্ত করে ফেলতে পারেন এবং এই প্রতিভাই আজ তাঁকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিয়েছে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement