পারলে-জিParle-G meaning of 'G': কয়েক দশক পেরোলেও আজও অপরিবর্তিত স্বাদ 'পারলে-জি'-র। শিশু, বৃদ্ধ বা তরুণ প্রায় সবাই এই নামটি সম্পর্কে অবগত। কিন্তু জানেন কি এই নামে 'জি' মানে কী? অনেকেরই উত্তর হবে 'জি' মানে জিনিয়াস, যা একেবারেই সঠিক নয়।
পারলে-জি বিস্কুটের স্বাদ এখনও মানুষের মুখে লেগে আছে। ভারতে, এটি কেবল বিস্কুটের একটি ব্র্যান্ড নয়,অনুভূতি। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভারতীয় এবং ব্রিটিশ উভয় সৈন্যদের প্রিয় বিস্কুট ছিল।
কবে শুরু হয় পারলে-জি?
এটি ১৯২৯ সালে শুরু হয়েছিল। ৯০-এর দশকের বাচ্চারাও তাদের সেই যুগে এই বিস্কুট খেয়ে বড় হয়েছে। প্যাকেটে ছাপা মেয়েটির ছবি নিয়েও অনেক গল্প আছে। কোম্পানিটি মুম্বাইয়ের ভিলে-পার্লে এলাকা থেকে পারলে নামটি হয়েছে বলে জানা গেছে। যাইহোক, তবে পারলে-জিতে 'জি'-এর অর্থ কী? কেন এই বিস্কুটে এই ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করল কোম্পানি?
'জি'-এর অর্থ
পার্লে প্রথম ১৯৩৮ সালে পার্লে-গ্লোকো নামে বিস্কুট উৎপাদন শুরু করে। স্বাধীনতার আগে পার্লে-জির নাম ছিল গ্লুকো বিস্কুট। কিন্তু, স্বাধীনতার পর গ্লুকো বিস্কুট উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। প্রকৃতপক্ষে, এটি তৈরিতে গম ব্যবহার করা হয়েছিল এবং সে সময় দেশে খাদ্য সংকট ছিল, যার কারণে এটির উত্পাদন বন্ধ করতে হয়েছিল।
প্রতিযোগিতার কারণে পারলে-জি নাম দেওয়া হয়েছে
এর উৎপাদন আবার শুরু হলে অনেক কোম্পানি প্রতিযোগিতায় নামে। বিশেষ করে ব্রিটানিয়া, যা Glucose-D বিস্কুটের মাধ্যমে বাজারকে হুমকি দিতে শুরু করেছে। তারপরে পার্লে গ্লুকো বিস্কুট পুনরায় চালু করে এবং এর নাম পরিবর্তন করে 'পারলে-জি'। ১৯৮০ সালের পর, পারলে গ্লুকো বিস্কুটের নাম সংক্ষিপ্ত করে পারলে-জি করা হয়। যাইহোক, ২০০০ সালে, 'জি' মানে 'জিনিয়াস' অবশ্যই প্রচারিত হয়েছিল। কিন্তু, প্রকৃত অর্থে পার্লে-জি-তে দেওয়া 'G'-এর অর্থ শুধুমাত্র 'গ্লুকোজ'।