World's Hottest Cities List Today: বিশ্বের ২০টি উষ্ণতম শহরের মধ্যে ১৯টিই ভারতে, বাংলার কতগুলি ও কোনটা?

World's Hottest Cities List Today: আবহাওয়া দফতর স্পষ্ট জানিয়েছে, এখনই রেহাই নেই। আগামী ২২ থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। পারদ ছুঁতে পারে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তারও বেশি। নিয়ম অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি পেরোলেই তাকে ‘হিটওয়েভ’ বা তাপপ্রবাহ বলা হয়। আর বর্তমানে বিহার, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তরপ্রদেশের একাধিক শহরে পারদ ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে গিয়েছে।

Advertisement
বিশ্বের ২০টি উষ্ণতম শহরের মধ্যে ১৯টিই ভারতে, বাংলার কতগুলি ও কোনটা?বিশ্বের সবচেয়ে গরম শহরের মধ্যে ১৯টি ভারতের

World's Hottest Cities List Today: বৈশাখের শুরুতেই কার্যত অগ্নিগর্ভ গোটা দেশ। সূর্য যেন আগুন ঢালছে আকাশ থেকে। মঙ্গলবার দুপুরের পরিসংখ্যান বলছে, এই মুহূর্তে বিশ্বের সবথেকে উত্তপ্ত ২০টি জায়গার মধ্যে ১৯টিই রয়েছে ভারতের মানচিত্রে! আজ্ঞে হ্যাঁ, AQI.in-এর ২১ এপ্রিল দুপুর ১২টা ২১ মিনিটের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহের ভরকেন্দ্র এখন ভারত। বাদ যায়নি বাংলাও।

রেকর্ড গরম
আবহাওয়া দফতর স্পষ্ট জানিয়েছে, এখনই রেহাই নেই। আগামী ২২ থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। পারদ ছুঁতে পারে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তারও বেশি। নিয়ম অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি পেরোলেই তাকে ‘হিটওয়েভ’ বা তাপপ্রবাহ বলা হয়। আর বর্তমানে বিহার, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তরপ্রদেশের একাধিক শহরে পারদ ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে গিয়েছে।

শীর্ষে কোন কোন শহর?
বিশ্বের সবচেয়ে তপ্ত শহরগুলির তালিকায় একযোগে এক নম্বরে রয়েছে বিহারের ভাগলপুর, ওড়িশার তালচের এবং পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল। এই তিন জায়গাতেই তাপমাত্রা রেকর্ড ৪৪ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। ঠিক পরেই ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পুড়ছে বিহারের বেগুসরাই, মোতিহারি, মুঙ্গের, ভোজপুর, সিওয়ান এবং উত্তরপ্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা। আশ্চর্যের বিষয় হলো, বিশ্বের সেরা ২০-র তালিকায় ভারতের বাইরে একমাত্র জায়গা হলো নেপালের লুম্বিনি। আবার ২০টির মধ্যে ১৯টি ভারতের। তার মধ্যে ৮টি বাংলার। তার মধ্যে আছে আসানসোল, বাঁকুড়া, রায়গঞ্জ, বীরভূম, দুর্গাপুর, কুলটি ও দলরবন্দ ও পশ্চিম মেদিনীপুর।

World's Hottest Cities List Today

কেন এই পরিস্থিতি?
আবহাওয়াবিদদের মতে, এটি কেবল স্থানীয় গরম নয়, বরং বায়ুমণ্ডলের এক গভীর সংকটের সংকেত। এর প্রধান কারণগুলো হল, তীব্র সৌর বিকিরণ। আকাশ পরিষ্কার থাকায় সরাসরি সূর্যের তাপ মাটি উত্তপ্ত করছে। তুষারহীন হিমালয়, ইউরেশিয়া ও হিমালয় অঞ্চলে এবার বরফ কম পড়েছে। ফলে সূর্যের আলো প্রতিফলিত না হয়ে সরাসরি ভারতীয় উপমহাদেশকে তপ্ত করে তুলছে। সমুদ্রের উপরিভাগের তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং এল নিনো-র (ENSO) পরিবর্তন বায়ুমণ্ডলে প্রভাব ফেলছে। এর পাশাপাশি উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা শুকনো গরম হাওয়া মেঘ জমতে দিচ্ছে না, ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

Advertisement

বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা
এই প্রবল দাবদাহ আসলে জলবায়ু পরিবর্তনেরই অশনি সংকেত। প্রাক-বর্ষার স্বস্তির বৃষ্টির আগে আগামী কয়েক সপ্তাহ দেশবাসীকে চরম অগ্নিপরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।

 

POST A COMMENT
Advertisement