Grant for Female College Students: কলেজে পড়লেই মেয়েদের ৫০ হাজার দেবে রাজ্য, কোন ইয়ারে কত টাকা? জানালেন শুভেন্দু

স্কুল পড়ুয়াদের বার্ষিক অনুদান ১০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করা হবে বলেও এদিন জানিয়ে দেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। চলতি বছরে আরও ৮০০টি স্মার্ট স্কুল চালু হবে।।পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, আমরা মোবাইল ফোন দেব না। কেবলমাত্র এডুকেশন রিলেটড ট্যাব দেব ছাত্রছাত্রীদের। টাকা বেশি লাগলে দেব। সেইসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে, আমার কাছে সব ছাত্র-ছাত্রী সমান। এই প্রসঙ্গে ছাত্রীদের জন্য স্কলারশিপের কথাও উল্লেখ করেন বাংলার মুখ্যমুখ্য।

Advertisement
কলেজে পড়লেই মেয়েদের ৫০ হাজার দেবে রাজ্য, কোন ইয়ারে কত টাকা? জানালেন শুভেন্দু৫০,০০০ টাকা পাবে মেয়েরা

রাজ্যে শুরু হয়ে গেল 'সারথি'। হাওড়ার ব্যাঁটরার মধুসূদন পাল চৌধুরী হাইস্কুল থেকে পড়ুয়াদের হাতে সাইকেল তুলে দিয়ে এই কর্মসূচির সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রসঙ্গত, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে প্রায় ৫০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২ লক্ষ ৫৯ হাজার ছাত্র-ছাত্রীকে সাইকেল বিতরণের লক্ষ্য নিয়েছে রাজ্য। হাওড়ায় পড়ুয়াদের সাইকেল বিতরণী অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন সরকার বদলে প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে কিনা। আমরা বার বার বলেছি কোনও প্রকল্প বন্ধ হবে না। শুধু সবুজ সাথী প্রকল্পের নাম বদলে হলো সারথি। ১২ লক্ষ ৫৯ হাজার পড়ুয়া ২০২৬-২৭-এ সাইকেল পাবেন। ৩ স্তরে এই সাইকেলের গুণমান পরীক্ষা করা হয়েছে। আগামী দিনে যারা এই সাইকেল তৈরি করবেন, তাদের জমি দেওয়া হবে।’

স্কুল পড়ুয়াদের বার্ষিক অনুদান ১০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করা হবে বলেও এদিন জানিয়ে দেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। চলতি বছরে আরও ৮০০টি স্মার্ট স্কুল চালু হবে।।পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, আমরা মোবাইল ফোন দেব না। কেবলমাত্র এডুকেশন রিলেটড ট্যাব দেব ছাত্রছাত্রীদের। টাকা বেশি লাগলে দেব। সেইসঙ্গে শুভেন্দু বলেন,  ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে, আমার কাছে সব ছাত্র-ছাত্রী সমান। এই প্রসঙ্গে ছাত্রীদের জন্য স্কলারশিপের কথাও উল্লেখ করেন বাংলার মুখ্যমুখ্য। 

প্রসঙ্গত, উচ্চশিক্ষায় ছাত্রীদের ড্রপ আউট কমানোর লক্ষ্যে নতুন স্কিম চালু করছে রাজ্য সরকার। সরকার বা সরকারি পোষিত কলেজে আন্ডার গ্র্যাজুয়েট কোর্সে ভর্তির সময়ে ছাত্রীদের জন্য এই প্রকল্পের সুবিধা মিলবে। এই স্কিমে অবিবাহিত ছাত্রীদের  ৫০,০০০ টাকা সহায়তা দেওয়া হবে। এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকার বাজেটে এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। 

মুখ্যমন্ত্রী কী বললেন?
ছাত্রীদের গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। অনার্স নিতে হবে। কলেজে প্রথম বর্ষে এই স্কলারশিপে ছাত্রীদের ১৭ হাজার টাকা দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বর্ষেও ১৭ হাজার টাকা মিলবে। তৃতীয় বর্ষে মিলবে ১৬ হাজার টাকা। মোট ৫০ হাজার টাকার স্কলারশিপ দেওয়া হবে। 

Advertisement

মূলত, উচ্চ শিক্ষায় ছাত্রীদের মাঝপথে পড়াশোনা বন্ধ করে দেওয়ার প্রবণতাকে লক্ষ্য করেই এই স্কলারশিপ চালু করেছে রাজ্য সরকার। বাজেটে বলা হয়েছিল উচ্চশিক্ষায় মেয়েরা যাতে উৎসাহ পান তার জন্যেই এবার থেকে অবিবাহিত মেয়েদের জন্য  আর্থিক সাহায্যের প্রস্তাব রেখেছে রাজ্য সরকার। এই খাতে বাজেটে মোট ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে রাজ্য সরকার। 

অবিবাহিত কলেজ ছাত্রীদের জন্য নগদ ৫০ হাজার টাকা
 এখন থেকে রাজ্যের কোনও সরকারি ও সরকারি সাহায্য বা অনুদান প্রাপ্ত কলেজে স্নাতক বা গ্র্যাজুয়েট কোর্সে ভর্তি হলে ৫০,০০০ টাকা করে দেবে রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পের টাকা পেতে কী কী প্রাথমিক শর্ত দেখা হবে, তাও বাজেট ঘোষণায় স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী দাশগুপ্ত। কী কী মানদণ্ড থাকলে তবেই ছাত্রীরা পাবেন এককালীন মোটা অঙ্কের এই আর্থিক অনুদান? জেনে নেওয়া যাক-
১) অবিবাহিত (ছাত্রীকে অবিবাহিত হতে হবে )
২) পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোনও সরকারি বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে স্নাতক স্তরে ভর্তি হতে হবে ওই ছাত্রীকে।
৩) মাসে মাসে কোনও টাকা পাওয়া যাবে না। এই কর্মসূচিতে সব মিলি.য়ে ৫০ হাজার টাকার আর্থিক সরকারি সাহায্য পাবেন ছাত্রীরা।
৪) মূলত উচ্চশিক্ষায় মেয়েদের উৎসাহ দিতে ও সার্বিক ভাবে ড্রপ আউট কার্যকরীভাবে কমাতেই এই সিদ্ধান্ত সরকারের।

আবেদনের নিয়ম : কবে ও কী ভাবে আবেদন করবেন?
এখনও পর্যন্ত এই স্কিমে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়নি। নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমেই এই আবেদন নেওয়া হবে বলেই সূত্রের খবর। এর জন্য পোর্টাল চালু করা ও সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ডক্যুমেন্ট ইত্যাদি এবং পরিচয়পত্র হিসেবে কী কী লাগবে তা দ্রুত জানিয়ে দেবে সংশ্লিষ্ট কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি দফতর। এই সংক্রান্ত গাইডলাইন্স সরকার শীঘ্রই নির্দেশ দিয়ে জানাবে।

অনলাইনে ও অফলাইনে আবেদন নেওয়া হবে
আলাদা অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে বা সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী উপযুক্ত ছাত্রীর আবেদন দেওয়া হতে পারে। সেই সঙ্গে অফলাইনে এলাকার প্রশাসনিক অফিস থেকে ফর্ম ফিল আপের ব্যবস্থা করা হবে খুব শিগগিরই। তথ্য সমীক্ষা করে তবেই আবেদন গৃহীত হবে আগামী দিনে।

POST A COMMENT
Advertisement