CISF-এর বৈঠক অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। আগেই জানিয়েছেন দেশের নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সেই মতো প্রথম দফার ভোটের আগেই রেকর্ড সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী নেমেছে রাজ্যে। ভোটের সময় যাতে আরও শক্তিশালী ও প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা কাঠামো চূড়ান্ত করা যায়, সেজন্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হল কলকাতায়।
এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (CRPF), বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF), সেন্ট্রাল ইন্ডিস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (CISF), সশস্ত্র সীমা বল(SSB) এবং ইন্দো টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশ (ITBP)-এর ডিরেক্টর জেনারেলরা। অবাধ নির্বাচন করতে কী কী পদক্ষেপ প্রয়োজন, তা নিয়ে আলোচন হয় এই বৈঠকে।
আগামী ২৩ এপ্রিল রাজ্যের ১৫২টি কেন্দ্রে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। তার আগে মাঠপর্যায়ে মোতায়েন হাজার হাজার নিরাপত্তা কর্মীর মধ্যে সমন্বয় সাধনই ছিল এই যৌথ বৈঠকের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
সল্টলেকে যৌথ নেতৃত্ব বৈঠক
এই অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনার পর সল্টলেকে CRPF-এর সেন্টারে এক গুরুত্বপূর্ণ যৌথ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকের সূচনা করেন সালভ মাথুর। এতে CISF, BSF, CRPF, ITBP, SSB এবং পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচন কমিশনের পুলিশ উপদেষ্টাও অংশ নেন।
বৈঠকে কুইক রেসপন্স টিম (QRT) মোতায়েন, অ্যান্টি-সাবোটাজ চেক এবং 'ইন্টিগ্রেটেড সিকিউরিটি গ্রিড'-এর প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হয়, যাতে সম্ভাব্য যে কোনও বিঘ্ন সুষ্ঠুভাবে মোকাবিলা করা যায়।
সি আই এস এফ প্রধানের বার্তা
প্রবীর রঞ্জন বলেন, 'পশ্চিমবঙ্গে আমাদের দায়িত্ব শুধু নিরাপত্তা রক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, ভোটের পবিত্রতা রক্ষার বিষয়ও মাথায় রাখছি। মাঠে থাকা প্রতিটি কর্মী গণতন্ত্রের রক্ষক। আমাদের একক বাহিনী হিসেবে নয়, বরং ‘ওয়ান ইলেকশন ফোর্স’ হিসেবে কাজ করতে হবে—সমন্বিত, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ।”
প্রথম দফার ভোটের প্রস্তুতি
২৩ এপ্রিলের প্রথম দফার ভোটকে সামনে রেখে CAPF নেতৃত্ব 'লিডারশিপ বাই এক্সাম্পল'-এর উপর জোর দিয়েছে। উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের মাঠে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে শৃঙ্খলা ও কর্মক্ষমতা বজায় থাকে। সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে কড়া নজরদারি, এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনে চলতে ‘ইলেকশন ডিউটি হ্যান্ডবুক’-এর বাধ্যতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।'