দুর্গাপুরে 'দখল করা' ক্লাব ফিরিয়ে দিল BJP, সৌজন্যের রাজনীতির বার্তা গেরুয়া শিবিরের

বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসার পর পশ্চিমবঙ্গজুড়ে তৃণমূলের পার্টি অফিস ও ক্লাব দখলের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে বিজেপির সমর্থকদের বিরুদ্ধ। তবে,দুর্গাপুরের বিজেপি নেতারা এই ঘটনাগুলিতে তাঁদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

Advertisement
দুর্গাপুরে 'দখল করা' ক্লাব ফিরিয়ে দিল BJP, সৌজন্যের রাজনীতির বার্তা গেরুয়া শিবিরের  ক্লাবকে দখলমুক্ত করা হচ্ছে
হাইলাইটস
  • দুর্গাপুরে 'দখল করা' ক্লাব ফিরিয়ে দিল BJP
  • সৌজন্যের রাজনীতির বার্তা গেরুয়া শিবিরের

বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসার পর পশ্চিমবঙ্গজুড়ে তৃণমূলের পার্টি অফিস ও ক্লাব দখলের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে বিজেপির সমর্থকদের বিরুদ্ধ। তবে,দুর্গাপুরের বিজেপি নেতারা এই ঘটনাগুলিতে তাঁদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, অনেকেই রাতারাতি জার্সি বদল করে নিজেদের বিজেপি কর্মী দাবি করে এই সব ঘটনা ঘটিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, দুর্গাপুরের চণ্ডীদাস এলাকায় দখল করা ক্লাব আসল সদস্যদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হল।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফলের পর চণ্ডীদাস স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কাছে দেশবন্ধু বয়েজ ক্লাবটি দখল হয়ে যায়। বিষয়টি সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পর, বিজেপি নেতারা এলাকায় ক্রমাগত মাইকিংয়ের মাধ্যমে একটি জনসচেতনতামূলক প্রচার শুরু করেন এবং সতর্ক করে দেন যে কোনও ধরনের জোরপূর্বক দখল, সহিংসতা বা রাজনৈতিক ভয়ভীতি প্রদর্শন সহ্য করা হবে না। পরে, বিজেপি যুবনেতা পরিজাত গঙ্গোপাধ্য়ায়ের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা ক্লাবটি আসল সদস্য ও কর্তৃপক্ষের কাছে ফিরিয়ে দেন।

পরিজাতর অভিযোগ, ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত বেশ কিছু ব্যক্তি নিজেদের বিজেপি কর্মী হিসেবে মিথ্যা পরিচয় দিয়ে ক্লাব দখল ও দোকানপাট লুট করার চেষ্টা করছিল।

ওই বিজেপি নেতা দাবি করেন, যারা ক্লাব দখল করেছিল তাদের সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক ছিল না।  এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য তারা রাতারাতি বিজেপির সমর্থক হয়ে গিয়েছিল। দেশবন্ধু ক্লাবের ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'ক্লাব সকলের জন্য একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান। এটি কোনও রাজনৈতিক দলের হওয়া উচিত নয়। কেউ টিএমসি, কংগ্রেস, সিপিএম বা বিজেপি যেই সমর্থন করুক না কেন, জাতি বা ধর্ম নির্বিশেষে একটি ক্লাবে সকলের সমান অধিকার থাকা উচিত।'

তিনি আরও বলেন যে, বিজেপির পতাকা শুধুমাত্র দলীয় কার্যালয়ে থাকা উচিত, ক্লাবে নয়। তিনি যোগ করেন, 'আমরা ক্লাবের ঐতিহ্যবাহী ও অরাজনৈতিক সংস্কৃতি পুনরুদ্ধারের জন্য একটি প্রচারাভিযান শুরু করেছি।'

Advertisement

বিজেপির তরফে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে আবেদন করা হয়, রাজনীতির নামে কেউ যদি জোর করে ক্লাব, দোকান দখলের চেষ্টা করে, তাহলে অবিলম্বে যেন পুলিশকে জানানো হয়। 

POST A COMMENT
Advertisement