একুশের লড়াই ছাব্বিশেও! ভবানীপুরের প্রসঙ্গ উঠতেই কী বললেন মমতা?

২০২১-এর পর এবার ২০২৬। আগেরবারের নন্দীগ্রামই যেন এবারের ভবানীপুর। ফের একবার মুখোমুখি মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ভরকেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে ভবানীপুর। কারণ গতকালই এই কেন্দ্রে প্রার্থী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি।

Advertisement
একুশের লড়াই ছাব্বিশেও! ভবানীপুরের প্রসঙ্গ উঠতেই কী বললেন মমতা?ছাব্বিশের নির্বাচনে ভরকেন্দ্র হতে চলেছে ভবানীপুর
হাইলাইটস
  • ২১-এর নন্দীগ্রাম যেন ছাব্বিশের ভবানীপুর।
  • বিধানসভা নির্বাচনে ফের মুখোমুখি মমতা-শুভেন্দু।
  • ভবানীপুর নিয়ে কী বললেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়?

২০২১-এর পর এবার ২০২৬। আগেরবারের নন্দীগ্রামই যেন এবারের ভবানীপুর। ফের একবার মুখোমুখি মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ভরকেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে ভবানীপুর। কারণ গতকালই এই কেন্দ্রে প্রার্থী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। এবার তৃণমূলের প্রকাশিত তালিকায় দেখা গেল নিজের কেন্দ্রেই লড়ছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। ফলে ২৯ এপ্রিল ভবানীপুরই থাকছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মূল ফোকাসে।

তবে ভবানীপুর কেন্দ্রের দিকে ফোকাস কিন্তু নতুন নয়। এই বিধানসভা কেন্দ্র চিরকালই বাংলার রাজনীতির ‘এপিসেন্টার’। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক দ্বৈরথ এই কেন্দ্রকে ঘিরে নির্বাচনী লড়াইকে এক নতুন মাত্রা এনে দিয়েছেন বলেই জানাচ্ছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

ভবানীপুরে জেতার বিষয়ে এদিন আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘অনেক ভোটে জিতব।’ মমতা জানান, এটা তাঁর কাছে কোনও লড়াই নয়। তিনি এক দিন নয় ৩৬৫ দিন কাজ করেন। তাই জয় নিয়ে নিশ্চিত। অন্যদিকে, এই কেন্দ্রে জয়ের বিষয়ে আশাবাদী শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ভবানীপুরে তিনি মমতাকে হারাবেন। 

উল্লেখ্য, ২০২১ সালেও মুখোমুখি হয়েছিলেন শুভেন্দু-মমতা। ভোটে নন্দীগ্রাম থেকেই দাঁড়িয়েছিলেন মমতা। তাঁকে চ্যালেঞ্জ করেই ওই কেন্দ্র থেকে শুভেন্দুর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। ফলপ্রকাশের দিন কার্যত বাংলায় মহীরুহ পতন ঘটে। তৃণমূল সুপ্রিমোকে ১,৯৫৬ ভোটে হারিয়ে জয় পেয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ১,০৯,৬৭৩টি ভোট পেয়েছিলেন। আর মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের ঝুলিতে গিয়েছিল ১,০৭,৭১৭টি ভোট।

তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর কিন্তু এক নয়। এমনিতেই কলকাতা তৃণমূল কংগ্রেসের গড় হিসেবে পরিচিত। তার উপর ভবানীপুর খোদ মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের কেন্দ্র। সেখানে শুভেন্দু অধিকারী কতটা প্রভাব ফেলতে পারবেন, এখন যাবতীয় নজর রয়েছে সেই দিকেই। 

POST A COMMENT
Advertisement