হিরণ চট্টোপাধ্যায় ছবি সৌজন্যে: ইনস্টাগ্রামলোকসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই জোর কদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন প্রার্থীরা। ৭ দফার নির্বাচনের লড়াইতে কেউই কাউকে এগিয়ে যেতে দেবেন না, সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই রাজনৈতিক দলগুলি তাঁদের প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। নাওয়া-খাওয়া ভুলে নিজেদের কেন্দ্রেই পড়ে রয়েছেন তাঁরা। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির হয়ে লড়বেন অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন এই কেন্দ্রের দুবারের জয়ী সাংসদ দেব। তাই হিরণ জোরকদমে ঘাটালে প্রচারে নেমেছেন। আর সেই প্রচারের মাঝেই ফুটবল খেলতে দেখা গেল হিরণকে।
ছোট্ট সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ছোট্ট এক শিশুর সঙ্গে ফুটবল খেলছেন হিরণ। বল ঠেলে দিচ্ছেন শিশুটির দিকে আবার শিশুটিও বল এগিয়ে দিচ্ছেন হিরণকে। তবে শুধু হিরণই নয়, ফুটবল খেলতে দেখা গেল কেন্দ্রীয় বাহিনীর কর্মীকেও। হিরণ এই ভিডিও নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, প্রচারের ফাঁকে একটু ফুটবল। প্রসঙ্গত, হিরণ লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে থেকেই ঘাটালে জনসংযোগ বাড়াতে শুরু করে দিয়েছিলেন।
মাথায় বৃষ্টি নিয়েও হিরণ ঘাটালের মানুষের কাছে পৌঁছতে দ্বিধাবোধ করছেন না। দিন-রাত এক করে ঘাটালের মানুষের মনে জায়গা করে নেওয়ার চেষ্টা করছেন অভিনেতা। দেবের মতোই হিরণকে দেখার জন্য মানুষের ঢল নামে। মাঝে অবশ্য বৃষ্টির কারণে পাঁশকুড়ায় হিরণের দু'টি কর্মীসভা বাতিল হয়। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে হিরণের অন্যতম বড় হাতিয়ার ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান। যা নিয়ে বহুবার তিনি এখানকার সাংসদ দেবকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। হিরণের মতে, দশ বছরে দেবকে ঘাটালের মানুষ প্রায় দেখেননি বললেই হয়। এখানকার মানুষ মুখে মেকআপ লাগানো প্রার্থী চায় না। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে হিরণ আগেই জানিয়ে ছিলেন যে তিনি ভোটে জেতার একমাসের মধ্যেই এই প্ল্যান নিয়ে কাজ শুরু করে দেবেন। রাজ্য সরকার ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে মিথ্যাচার করছে বলেও অভিযোগ তোলেন।
নির্বাচনের প্রচারের মাঝে প্রার্থীদের অন্য রূপও উঠে আসছে। হিরণ যেমন ফুটবল খেলছেন, তেমনি যাদবপুরের তৃণমূল প্রার্থী সায়নী ঘোষও প্রচারের ফাঁকে বাড়ির বাজারটা সেরে নিচ্ছেন। সম্প্রতি সায়নীকে দেখা গিয়েছে যাদবপুরের সিপিএম প্রার্থী সৃজন ভট্টাচার্য সহ বম কর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে। রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় হুগলিতে প্রচার সারছেন স্নিকার্স পরেই। এতেই নাকি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন দিদি নম্বর ১।