'নোটা ভোট দিন', পোস্টার-ব্যানার ছাপিয়ে জোর প্রচারে কোচবিহারের রাজবংশি সংগঠনVote To Nota Campaign Coachbehar:নির্বাচনে সমর্থনের ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলিতে বিশ্বাস রাখতে পারছে না উত্তরবঙ্গে রাজবংশি সম্প্রদায়ের একটা বড় অংশ। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার আসনগুলিতে সব দলেই রাজবংশি সম্প্রদায়ের ব্য়ক্তিকেই প্রার্থী করা হয়েছে। ফলে রাজবংশিরা বঞ্চিত হচ্ছেন এ কথা বলা যাচ্ছে না। তা সত্ত্বেও একটা বড় অংশ সংসদীয় রাজনীতি নিয়ে বীতশ্রদ্ধ। এতটাই যে তাঁরা ভোট বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শুধু বয়কট করেই ক্ষান্ত নন তাঁরা বরং, তাঁরা রীতিমতো প্রচারে নেমেছেন 'নোটা'তে ভোট দিতে রাজবংশি সম্প্রদায়কে উদ্বুদ্ধ করার জন্য।
রাজ্য সরকারের চালু করা উন্নয়ন পর্ষদ কিংবা রাজবংশি স্কুলের স্বীকৃতিতে তাঁরা গলছেন না। পৃথক রাজ্যের দাবিতে আন্দোলন করা গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের আপাতত শান্ত। কিন্তু কোচবিহার রিপাবলিক সোশ্যালিস্ট পার্টির সদস্যরা এতে খুশি নন। তাঁদের দাবি, শুধু রাজবংশি নয়, কোচবিহারের সমস্ত জনজাতির জন্য পৃথক রাজ্য ছাড়া স্থায়ী সমাধান হবে না। ভারতভুক্তি চুক্তি অনুযায়ী তারা ‘গ’ শ্রেণিভুক্ত রাজ্যের দাবি জানিয়ে আসছে। সংগঠনের তরফে পরেশচন্দ্র রায় বলেন, ‘সংগঠনের ভোট নোটায় দিতে প্রচার চালানো হচ্ছে।’
রাজবংশি সম্প্রদায়ের একাংশ তৃণমূলকে সমর্থন করার কথা ঘোষণা করেছে। কিন্তু অন্যপক্ষ কোনও দলকেই সমর্থন না জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুধু তাই নয়, তারা নিজেরা নোটায় ভোট (Lok sabha election 2024) দেবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন। রাজবংশি জনজাতি সম্বলিত বড় সংগঠন কোচবিহার রিপাবলিক সোশ্যালিস্ট পার্টি এই মর্মে আবেদন জানিয়ে রীতিমতো প্রচারও শুরু করে দিয়েছে।সংগঠনটি রীতিমতো গাঁটের কড়ি খরচ করে ভোট বয়কটের জন্য প্রচার শুরু করেছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের পাশাপাশি লিফলেট, পোস্টার, ব্যানার ছাপিয়ে কোচবিহার জেলার জনাকীর্ন এলাকায়, রাস্তার মোড়ে লাগিয়ে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন তাঁরা। কোচবিহার রিপাবলিক সোশ্যালিস্ট পার্টি (CRSP) পৃথক কোচবিহার রাজ্যের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালাচ্ছে। সংগঠনের দাবি, দিল্লিতে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ বা রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস জনজাতিদের স্বার্থের পরিপন্থী কাজ করছে। দুই সরকারই তাঁদের রাজ্যের দাবি পূরণে কোনও উদ্যোগ তো নিচ্ছেই না, বরং বাধা সৃষ্টি করছে।দাঁড়িয়েছে। এই অভিযোগ তুলে তাঁরা নিজেদের ভোট নোটায় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।