Malda Chanchal Voter Slip Controversy: নির্বাচনের পরদিন ভোটার স্লিপ নিয়ে বাড়িতে হাজির BLO, উত্তেজনা চাঁচলে

Malda Chanchal Voter Slip Controversy: সিহিপুর গ্রামের ২২৩ নম্বর বুথের বাসিন্দা হুশনারা বেগম। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ভোটের দিন স্লিপের জন্য তিনি বারবার বিএলও আখতার হোসেনের দরজায় কড়া নেড়েছিলেন। কিন্তু প্রতিবারই ফিরিয়ে দিয়েছেন অভিযুক্ত বিএলও।

Advertisement
নির্বাচনের পরদিন ভোটার স্লিপ নিয়ে বাড়িতে হাজির BLO, উত্তেজনা চাঁচলেনির্বাচনের পরদিন ভোটার স্লিপ নিয়ে বাড়িতে হাজির BLO, উত্তেজনা চাঁচলে

Malda Chanchal Voter Slip Controversy: মালদায় ভোট ছিল ২৩ এপ্রিল। যা মিটে গিয়েছে বৃহস্পতিবারই। ভোটের আগে এমনকী বৃহস্পতিবারও ভোটার স্লিপ না পেয়ে বারবার বিএলওর কাছে ছুটে গিয়েছেন। কিন্তু বিএলও তা দিতে পারেননি। অথচ ভোট শুক্রবার সকালে ভোটার স্লিপ নিয়ে হাজির হয়েছেন সেই বিএলও-ই। ঘটনায় কার্যত আকাশ থেকে পড়ছেন মালদা জেলার চাঁচল-১ ব্লকের সিহিপুর গ্রামের বাসিন্দারা। শুক্রবার সকালে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।  বিএলও-কে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা।

সিহিপুর গ্রামের ২২৩ নম্বর বুথের বাসিন্দা হুশনারা বেগম। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ভোটের দিন স্লিপের জন্য তিনি বারবার বিএলও আখতার হোসেনের দরজায় কড়া নেড়েছিলেন। কিন্তু প্রতিবারই ফিরিয়ে দিয়েছেন অভিযুক্ত বিএলও। শেষমেশ ভোটই দিতে পারেননি ওই তরুণী। অথচ ভোট মিটে যাওয়ার পরের দিন সকালে সেই স্লিপ নিয়ে হাসিমুখে হাজির হলেন বিএলও। যা দেখে অবাক ও ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা।

একজন ভোটারের কাছে ভোটার স্লিপ তাঁর পরিচয় ও অধিকারের অন্যতম চাবিকাঠি। সিহিপুরের গ্রামবাসীদের প্রশ্ন, ভোট যখন শেষ, তখন এই কাগজের টুকরোটির উপযোগিতা কী? বিএলও-র এই দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণে হুশনারার মতো অনেকেই ভোটদান থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ। প্রশাসন যখন ‘১০০ শতাংশ ভোটদান’ নিশ্চিত করতে প্রচার চালাচ্ছে, তখন নিচুতলার কর্মীর এমন আচরণে উঠেছে বড়সড় প্রশ্ন।

ক্ষোভের মুখে পড়ে নিজের দোষ একপ্রকার কবুল করেই নিয়েছেন অভিযুক্ত বিএলও আখতার হোসেন। তাঁর অদ্ভুত সাফাই, “দু’জন ব্যক্তিকে এক মনে করে ফেলায় এই ভুল হয়েছে।” এই ভুলের কারণ একজন ভোট দিতে পারলেন না, তার দায় কে নেবে? যদিও এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার জন্য তিনি ক্ষমা চেয়েছেন, কিন্তু তাতে শান্ত হননি গ্রামবাসীরা।

বিএলও-র এই কীর্তি নিয়ে সরব হয়েছেন নির্দল প্রার্থী আনজারুল হক জনি। তাঁর দাবি, এটি কেবল সাধারণ ভুল নয়, বরং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি চরম অবজ্ঞা। জেলা প্রশাসনের কাছে ওই কর্মীর কড়া শাস্তির দাবি তুলেছেন তিনি। সাধারণ মানুষের ভোটের অধিকার নিয়ে এমন ছেলেখেলা মানা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয়রা। অবিলম্বে এই গাফিলতির তদন্ত করে বিহিত না হলে আগামীতে আরও বড় আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তাঁরা।

Advertisement

সিহিপুরে চাপা উত্তেজনা: শুক্রবার দিনভর এই ঘটনা নিয়ে সিহিপুর এলাকায় দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। বিএলও-কে সামনে পেয়ে ক্ষোভ উগরে দেন মহিলারাও। ভোটার তালিকা সংশোধন থেকে শুরু করে স্লিপ বিলি, সমস্ত প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা কতটা স্বচ্ছ, তা নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে মালদহের রাজনৈতিক মহলে।

 

POST A COMMENT
Advertisement