NIA Mothabari Case Update: মোথাবাড়িকাণ্ডে এবার NIA-র তলব জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ ও ব্লক সভাপতি, ২ জনই TMC নেতাNIA Mothabari Case Update:সোমবার বিধানসভা নির্বাচনের হাইভোল্টেজ ভোটগণনা। আর তার ঠিক চব্বিশ ঘণ্টা আগে মালদার রাজনীতিতে আছড়ে পড়ল এনআইএ-র (NIA) বোমা। গত মাসের সেই বিতর্কিত ‘মোথাবাড়ি কাণ্ডে’ এবার শাসকদলের জেলা স্তরের একাধিক দাপুটে নেতা ও কর্মীকে তলব করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। রবিবার দুপুরেই তাঁদের কালিয়াচক থানায় হাজির হওয়ার ফরমান পাঠানো হয়েছে। ফলাফল ঘোষণার ঠিক আগে কেন্দ্রীয় সংস্থার এই সক্রিয়তা মালদার নির্বাচনি সমীকরণে নতুন উত্তেজনা ছড়িয়ে দিয়েছে।
যাঁদের ডাকল এনআইএ:
তদন্তকারীদের নজরে এবার সুজাপুরের তৃণমূল প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিনের নির্বাচনী এজেন্ট তথা জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল রহমান। তালিকায় নাম রয়েছে কালিয়াচক-১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি মহম্মদ সরিউলেরও। শনিবার গভীর রাতে তাঁদের হাতে নোটিশ পৌঁছাতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় ঘাসফুল শিবিরে। আজ দুপুর ১২টার মধ্যেই কালিয়াচক থানায় তাঁদের হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ ছিল। যদিও তাঁরা শেষ পর্যন্ত হাজিরা দিয়েছেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রয়েছে।
কী ঘটেছিল মোথাবাড়িতে?
গত মাসে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ চলাকালীন মোথাবাড়িতে হুলুস্থুল পড়ে যায়। তালিকায় নাম বাদ পড়ার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্ট নিযুক্ত সাতজন বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায় একদল মানুষ। অভিযোগ, গভীর রাত পর্যন্ত বিচারকদের কালিয়াচক-২ ব্লক অফিসে আটকে রেখে হেনস্তা করা হয়। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।
ভোটের মুখে রাজনৈতিক তরজা:
এই ঘটনায় ইতিপূর্বেই মোফাক্কেরুল ইসলাম সহ ৫২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বর্তমানে এনআইএ হেফাজতে। তবে গণনার ঠিক আগের দিন খোদ প্রার্থীর এজেন্টকে তলব করায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, এটি নিছকই ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’। অন্যদিকে বিজেপির পালটা যুক্তি, এর সঙ্গে ভোটের কোনও সম্পর্ক নেই, আইন নিজের পথেই চলছে। আগামীকাল ভোটবাক্স খোলার আগে এনআইএ-র এই চাল কার পালে হাওয়া দেয়, এখন সেটাই দেখার।