scorecardresearch
 

ফ্যাক্ট চেক- বাংলাদেশের নামাজ পড়ার দৃশ্য ভারতের বলে চালানো হলো

বিভ্রান্তিকর দাবির সঙ্গে ভাইরাল রাস্তায় নামাজ পড়ার একটি ছবি

bangla namaz cover bangla namaz cover

রাস্তা বন্ধ করে নামাজ পড়ার একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে কিছু ব্যবহারকারী দাবি করেন এই দৃশ্যটি ভারতের।  হিন্দি তে ক্যাপশনে লেখা হয়, " এই মধুর ধর্মনিরপেক্ষ দৃশ্য আপনি শুধু ভারতেই দেখতে পাবেন।  বাকি ৫৬ টি মুসলিম দেশে এই রকম করলে জেলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এটি শুধু ধৈর্য্যের পরীক্ষা যাতে আরও চাপ বাড়ানো যায়। "

bangla namaz body

ইন্ডিয়া টুডের অ্যান্টি-ফেক নিউজ ওয়ার রুম (আফয়া) অনুসন্ধানে জানতে পেরেছে যে রাস্তায় নামাজ পড়ার ভাইরাল দৃশ্যটি ভারতের নয়, বাংলাদেশের। 

ভাইরাল পোস্টটি আর্কাইভ হয়েছে এখানে । 

রিভার্স ইমেজ সার্চের সাহায্যে আমরা ভাইরাল ছবিটির সত্যতা জানতে পারি।  আমরা হুবহু এই ভাইরাল ছবিটি "বাংলাদেশ ফোটোগ্রাফি " বলে একটি ইনস্টাগ্রাম পেজে খুঁজে পাই। ১৬ই জুলাই ২০২১ সালে এই ছবিটি পোস্ট করে "জুম্মা মুবারক" লেখা হয়েছে।  

insta

একই ধরণের আরও নামাজ পড়ার ছবি আমরা খুঁজে পাই দ্য গার্ডিয়ানের ওয়েবসাইটে ।  সেখানে ছবির ক্যাপশনে লেখা, রমজান মাসে বাংলাদেশের সোভানবাগ  মসজিদের সামনে শুক্রবারের নামাজ পড়ার দৃশ্য।  ছবিটি তুলেছে ইওরোপিয়ান প্রেসফটো এজেন্সী ( ইপিএ )।  ইপিএ-র টুইটার হ্যান্ডেল থেকেও এই ছবিটি পোস্ট করা হয় ৩০ সে এপ্রিল , ২০২১ সালে।  

আমরা গুগল স্ট্রিট ভিউ থেকে বাংলাদেশের ঢাকার মিরপুর রোডের উপর অবস্থিত সোভানবাগ মসজিদটি ও তার আসপাশের দৃশ্য খুঁজে পাই।  ভাইরাল ছবিটি , ইওরোপিয়ান প্রেসফটো এজেন্সীর তোলা ছবি এবং গুগল স্ট্রিট ভিউ এর ছবি তুলনা করে আমরা নিশ্চিত বলতে পারি যে তিনটি ছবি একই জায়গার। 

ভাইরাল ছবি 

bangla viral

 

গুগল স্ট্রিট ভিউ 

street view namaz

 

ইওরোপিয়ান প্রেসফটো এজেন্সীর ছবি 

epa


ভারতেও রাস্তা আটকে নামাজ পড়ার দৃশ্য দেখা গেলেও, এইসব তথ্য থেকে আমরা নিশ্চিত করে বলতে পারি যে এই ভাইরাল ছবিটি ভারতের নয় , বাংলাদেশের। 
 

ফ্যাক্ট চেক

Facebook user

দাবি

রাস্তা বন্ধ করে নামাজ পড়ার একটি ছবিটি ভারতের।

ফলাফল

রাস্তায় নামাজ পড়ার ভাইরাল দৃশ্যটি ভারতের নয়, বাংলাদেশের।

ঝুট বোলে কাউয়া কাটে

যত বেশি কাক তত বেশি মিথ্যে

  • কাক: অর্ধসত্য
  • একাধিক কাক: বেশির ভাগ মিথ্যে
  • অনেক কাক: সম্পূর্ণ মিথ্যে
Facebook user
আপনার কী মনে হচ্ছে কোনও ম্যাসেজ ভুয়ো ?
সত্যিটা জানতে আমাদের সংখ্যা 73 7000 7000 উপর পাঠান.
আপনি আমাদের factcheck@intoday.com এ ই-মেইল করুন