প্রতীকী ছবিJokes In Bengali: হাসি দিয়ে ইতিবাচক পরিবেশ বজায় রাখা যায়। একজন মানুষ যখন স্ট্রেস থেকে দূরে থাকে, তখন মানসিক রোগও কাছে আসে না। খিলখিল করে হাসাকে বলা হয় সুস্বাস্থ্যের রহস্য। চলুন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল জোকস পড়া যাক।
> দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় একটি লোক চাবি দিয়ে কানে খোঁচাচ্ছিল।
আরেকজন লোক কাছে গিয়ে বললো: ভাই, আপনি যদি স্টার্ট না হতে পারেন, তাহলে আমি কি আপনাকে ধাক্কা দেব?
>এক অটো চালকের বিয়ে হচ্ছিল,
তার কনে যখন তার কাছে গিয়ে বসল, তখন সে বলল,
একটু সরে বসুন, এখন আরও একজন বসতে পারেন,
তখন আর কী… চপ্পল জুতো!
>ভাই, যতই লেখাপড়া কর না কেন, ডিগ্রি নাও...
কিন্তু রেস্তোরাঁর দরজায় Push আর Pull দেখে
২-৩ সেকেন্ড ভাবতে হয়
দরজা ধাক্কা দিব নাকি টানতে হবে।
> রোগীর কাছে ডাক্তার- আমার ওষুধে যদি আপনি সুস্থ হয়ে যান, তাহলে আমাকে কী পুরস্কার দেবেন?
রোগী- স্যার, আমি খুব গরীব মানুষ, আমি কবর খুঁড়ি।
আমি আপনারটা বিনামূল্যে খনন করে দেব।
>স্বামী স্ত্রী একটি কুয়োর কাছে গেলেন,
যেখানে একটি কয়েন ফেললে মনের ইচ্ছা পূরণ হতো।
প্রথমে স্বামী কয়েন ফেলল,
তারপর স্ত্রী কয়েন ফেলতে গিয়ে পা পিছলে কুয়োয় পড়ে যায়।
স্বামীর চোখে জল চলে আসে,
উপরে তাকিয়ে তিনি বললেন- ভগবান, এত তাড়াতাড়ি শুনে নিলে।
> ঘরজামাই- আজ থেকে আমি ভাতের বদলে রুটি খাব।
শাশুড়ি- এমন কেন?
ঘরজামাই- আমি আমার শ্বশুরবাড়ি ও প্রতিবেশীদের কটূক্তি শুনতে শুনতে ক্লান্ত।
প্রতিদিন ওরা বলে আমি আমার শ্বশুরবাড়ির ভাত খাই। তাই আজ থেকে রুটি খাবো।
> কৃপণ লোকটি পন্ডিতজিকে কম টাকা দিয়ে জিজ্ঞেস করল- এমন একটা সমাধান বলুন যাতে আমি ধনী হতে পারি।
পণ্ডিতজি- আমি আপনাকে এমন একটি মন্ত্র বলছি, যতবার আপনি এটি পাঠ করবেন, তত বেশি অর্থ পাবেন।
প্রতিদিন যে কোন মোড়ে গিয়ে বলুন "ভগবানের নামে দিয়ে যান।"
>ভিক্ষুক- কি ব্যাপার স্যার, আগে ১০০ টাকা দিতেন, তারপর ৫০ আর এখন ২৫...
স্যার- আগে আমি অবিবাহিত ছিলাম, এখন আমার বিয়ে হয়েছে এবং আমার একটি সন্তানও আছে,
ভিক্ষুক- বাহ স্যার, খুব ভালো।
এর মানে পুরো পরিবার আমার ভাগের টাকায় আয়েশ করছে।
( Disclaimer: এখানে দেওয়া কৌতুকগুলি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভাইরাল হওয়া বিষয়বস্তু থেকে নেওয়া হয়েছে৷ আমাদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র মানুষকে বিনোদন দেওয়া৷ আমাদের উদ্দেশ্য কোনও জাতি, ধর্ম, নাম বা বর্ণের ভিত্তিতে কাউকে হেয় করা বা উপহাস করা নয়।)