JokesJOKES: মানসিক চাপ নেওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কোনও বিপদের থেকে মুক্ত নয়। শরীরকে ফিট ও সুস্থ রাখতে মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকা খুবই জরুরি। তাই আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি মজার কিছু জোকস। যা পড়ার পর আপনি হাসবেন।
> বাবা: খোকা, ক্লাস এইটে উঠে তোমার কেমন লাগছে?
খোকা: খুবই খারাপ, বাবা।
বাবা: বলো কী! কেন? ক্লাস সেভেনেই তো আমি আমার জীবনের সেরা তিনটা বছর কাটিয়েছি!
> লাইলি: আমি তোমার প্রোফাইল পিকচারে হার্ট দিইনি, রাগ করেছো নাকি জান?
মজনু: রাগ কেন করবো? আমি তো তোমার হার্টটাই চাই, ইমোজি নয়!
লাইলি: ও হো! তাহলে রিয়েল হার্ট দিচ্ছি না, ফেসবুকেই ম্যানেজ করো!
> দুই বন্ধু বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে। একদিন তারা সারাজীবন কী করেছে, কী পেয়েছে, জীবনের ব্যর্থতা-অর্জন নিয়ে গল্প করছে। এক বন্ধু অন্যজনকে বলছে—
১ম বন্ধু: আচ্ছা বল তো, পৃথিবীর সবচেয়ে পাতলা বইয়ের নাম কী?
২য় বন্ধু: জানি না তো, কোনটা?
১ম বন্ধু: নারী সম্পর্কে পুরুষ যা জানে।
> এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে বলছে—
রাতিন: শোন বন্ধু যদি তোর বউ তোর কথা না শোনে, তাহলে...
সিয়াম: তাহলে কী?
রাতিন: এত আগ্রহভরে শুনতে চেয়ে লাভ নেই।
সিয়াম: কেন?
রাতিন: স্বামীর কথা আসলে কোনো বউই ঠিকমতো শোনে না।
সিয়াম: তাহলে কী করতে বলছিস?
রাতিন: সবসময় বউয়ের কথা তুই শুনবি, তারপর মেনেও নিবি। সে হ্যাঁ বললেও হ্যাঁ, না বললেও হ্যাঁ।
> ছেলে- বন্ধু, ওই মেয়ের হাত থেকে আমাকে বাঁচাও,
বন্ধু- কেন?
ছেলে- যখন থেকে বলেছি, দিল চির কে দেখ তেরা হি নাম হো গা,
সে ছুরি নিয়ে আমার পিছু নিয়েছে।
> টিল্লু তার অসুখ নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেল,
ডাক্তার- আপনার অসুস্থতার সঠিক কারণ বুঝতে পারছি না,
মদ খাওয়ার কারণে হতে পারে,
টিল্লু- সমস্যা নেই ডাক্তার, আপনি যখন নেশা কাটবে তখন আবার আসব।
(Disclaimer: এই বিভাগের জন্য জোকস হোয়াটসঅ্যাপ এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা জনপ্রিয় বিষয়বস্তু থেকে নেওয়া হয়েছে। এদের উদ্দেশ্য কেবলমাত্র লোকেদের একটু আনন্দ দেওয়া… আমাদের উদ্দেশ্য নয় কাউকে উপহাস করা, অবজ্ঞা করা।)