Advertisement
কলকাতা

Firhad Hakim: 'মনে হয়েছিল, এই চেয়ারে বসার যোগ্যতা আমার নেই,' বিদায়বেলায় গলা ধরে এল ফিরহাদের

মেয়র পদে ফিরহাদ হাকিমের ইস্তফা
  • 1/9

জল্পনাই সত্যি হল। কলকাতার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম। এর আগে বিধায়ক কুণাল ঘোষ দাবি করেছিলেন, ফিরহাদ হাকিম মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিতে চেয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনুমতি দিয়েছেন।

যাবতীয়জল্পনার অবসান হল আজ
  • 2/9

তারপরে ফিরহাদকে জিগ্গেস করা হলে তিনি দাবি করেন, তিনি ইস্তফা দেননি। এই সব জল্পনার অবসান হল আজ অর্থাত্‍ শনিবার। মেয়র পদে ইস্তফা দিয়ে ফিরহাদ বললেন, '২০১৮ সালে হঠাৎ করে যখন তখনকার মেয়র ইস্তফা দিলেন, সে সময়ে সব কাউন্সিলরদের সম্মতি নিয়ে আমাকে এই চেয়ারে বসানো হয়েছিল।'
 

বড় চ্যালেঞ্জ ছিল কোভিড
  • 3/9

২০১৮ সাল থেকে টানা কলকাতা পুরসভার মেয়রের দায়িত্বে থাকা ফিরহাদ হাকিম এদিন ইস্তফার পরে জানালেন, তাঁর সময়কালে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল কোভিড। বললেন, 'আমার সময়কালে সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ এসেছিল কোভিড। কর্পোরেশনের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা, সে সময়ে মানুষ যখন বেরোতে চাইছিলেন না, সে সময়ে দাঁড়িয়ে আমাদের কর্মীরা জঞ্জাল পরিষ্কার করে, অনেক অনেক দায়িত্ব।'
 

Advertisement
২০১৮ সালে মেয়র হয়েছিলেন ফিরহাদ
  • 4/9

২০১৮ সালে মেয়র পদে দায়িত্ব নিয়েছিলেন ফিরহাদ।  কলকাতা পুরসভার ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। ২০০০, ২০০৫ এবং ২০১০ সালে এই ওয়ার্ড থেকেই তৃণমূলের টিকিটে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। 
 

শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ইস্তফার পরে মেয়র হন ফিরহাদ
  • 5/9

২০১৫ সালে ফিরহাদ পুরভোটে লড়েননি। ২০১৫ সালে ৮২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন প্রণব বিশ্বাস। ২০১৮ সালে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের পর কলকাতার মেয়র হওয়ার পর ওই ওয়ার্ড থেকেই উপনির্বাচনে জিতে আসেন ফিরহাদ। 

মাস পাঁচ আগেই ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ
  • 6/9

২০২১ সালে ৮২ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই পুনর্নির্বাচিত হয়েছিলেন। মেয়র হিসাবে মেয়াদ শেষ হওয়ার মাস পাঁচ আগেই ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ।
 

প্রথমবার মেয়র হওয়ার সেই স্মৃতি
  • 7/9

প্রথমবার মেয়র হওয়ার সেই স্মৃতিও এদিন মনে পড়ল ফিরহাদের। বললেন, '২০১৮ সালে হঠাৎ করে যখন তখনকার মেয়র ইস্তফা দিলেন, সে সময়ে সব কাউন্সিলরদের সম্মতি নিয়ে আমাকে এই চেয়ারে বসানো হয়েছিল। আমার মনে হয়েছিল, এই চেয়ারে বসার যোগ্যতা আমার নেই।' 
 

Advertisement
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস, সুভাষচন্দ্র বোস, বিধানচন্দ্র রায়কে স্মরণ
  • 8/9

'যাঁদের ছবিতে নমস্কার করে আমরা বড় হয়েছি, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস, সুভাষচন্দ্র বোস, বিধানচন্দ্র রায়, তাঁদের নখের যোগ্য হতে পারলে জীবন ধন্য হয়ে যাবে। সেখানে দাঁড়িয়ে সে সময়ে এই দায়িত্ব নিলাম, পালন করলাম। ২০২১ সালের নির্বাচনে মানুষ সমর্থন করলেন, তখন থেকে আজ পর্যন্ত আছি।'

আমার জীবন গেলে যাক!
  • 9/9

এরপরেই কোভিড সময়ের ভ্যাকসিনের ট্রায়াল করার ঘটনা উল্লেখ করে ফিরহাদ হাকিম বললেন, 'কলকাতায় ভ্যাকসিন এল, কিন্তু ট্রায়াল হচ্ছিল না। আমাকে অ্যাপ্রোচ করা হল, আমি বললাম মহানাগরিক হিসাবে আমি দায়বন্ধ। মানুষকে যদি বাঁচানো যায়, তার জন্য আমার জীবন গেলে যাক!'

Advertisement